ভুবনেশ্বর: হকি প্রো-লিগের অভিষেকে বড়সড় জয় পেল মনপ্রীত সিং নেতৃত্বাধীন ভারতীয় হকি দল। র‍্যাংকিংয়ে তৃতীয়স্থানে থাকা শক্তিশালী নেদারল্যান্ডকে ৫-২ গোলে হারাল ‘মেন ইন ব্লু’। ভারতের হয়ে ২টি গোল রুপিন্দার পাল সিং’য়ের। একটি করে গোল গুরজান্ত সিং, মনদীপ সিং ও ললিত উপাধ্যায়ের।

ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শনিবার ম্যাচ শুরুর ২৬ সেকেন্ডে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন গুরজান্ত সিং। প্রতিপক্ষের আক্রমণ বানচাল করে বামপ্রান্তিক আক্রমণ থেকে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন ভারতীয় স্ট্রাইকার। ১২ মিনিটে দলের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রুপিন্দার পাল সিং। পেনাল্টি কর্নার থেকে এক্ষেত্রে নামের প্রতি সুবিচার করেন ড্র্যাগ-ফ্লিকার রুপিন্দার। পালটা পেনাল্টি কর্নারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম কোয়ার্টারেই ব্যবধান কমায় অরেঞ্জ ব্রিগেড।

ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ভারতের জন্য বিশেষ ফলপ্রসূ হয়নি। উলটে ভারতীয় রক্ষণে আক্রমণের চাপ বজায় রেখে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনে নেদারল্যান্ড। বামপ্রান্তিক আক্রমণের ফায়দা তুলে নেদারল্যান্ডকে ম্যাচে সমতায় ফেরাতে সাহায্য করেন হার্টজবার্গার। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-২ অবস্থাতে।

দ্বিতীয়ার্ধে ফের ডানা মেলে ভারতীয় দল। ‘মেন ইন ব্লু’র আক্রমণের সামনে শেষ হয়ে যায় কমলা ব্রিগেডের সমস্ত জারিজুরি। ৩৪ মিনিটে দুরন্ত শটে ভারতকে ফের এগিয়ে দেন মনদীপ সিং। দু’মিনিট যেতে না যেতেই আবার গোল। বাঁ-প্রান্ত ধরে কাট করে বল নিয়ে সার্কেলে ঢুকে যান ডিফেন্ডার হরমনপ্রীত সিং। এরপর বিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে বল ঠেলে দেন গোল লক্ষ্য করে। সেযাত্রায় রক্ষা পেলেও ফিরতি বলে ললিত উপাধ্যায়ের নেওয়া শট প্রবেশ করে জালে। ফের দু’গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারতীয় দল।

তৃতীয় কোয়ার্টারে এরপর তিন-তিনটি পেনাল্টি কর্নার আদায় করে নিলেও তা থেকে ব্যবধানে কমাতে ব্যর্থ হয় ডাচরা। একটি পেনাল্টি কর্নার থেকে ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ নষ্ট করে ভারতও। তবে চতুর্থ তথা ফাইনাল কোয়ার্টারের শুরুতে ফের একটি পেনাল্টি কর্নায় আদায় করে নিলে তা থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি তুলে নিতে ভুল করেননি রুপিন্দার পাল। ৫-২ গোলে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে ভারতীয় দল। রবিবার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ফিরতি ম্যাচে ফের ডাচদের মুখোমুখি হবে ভারতীয় দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।