India

চেন্নাই: ইংল্যান্ড সিরিজে কি দেখা যাবে অস্ট্রেলিয়া সফরের পুনরাবৃত্তি! চিপকে দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে দুরমুশ করে চার টেস্টের সিরিজে সমতা ফেরাল ভারত৷ সাড়ে তিন দিনেই ইংল্যান্ডকে শেষ করে দিলেন বিরাটের স্পিনাররা৷ ভারতের তিন স্পিনার ১০ উইকেট ভাগ করে নেন৷ অভিষেকেই পাঁচ উইকেট অক্ষর প্যাটেলের৷ তিন উইকেট নেন রবিন্দ্রন অশ্বিন৷ দু’ বছর পর কামব্যাক টেস্টে দু’ উইকেট কুলদীপ যাদবের৷

চিপকেই প্রথম টেস্ট ২২৭ রানে হেরেছিল ভারত৷ কিন্তু ৩১৭ রানে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে চার টেস্টের সিরিজে সমতা ফেরাল কোহলি অ্যান্ড কোং৷ রানের নিরিখে এটাই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়৷ একই সঙ্গে এটি ভারতের পঞ্চম সর্বোচ্চ রানের টেস্ট জয়৷ দ্বিতীয় ইনিংসে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের দুরন্ত সেঞ্চুরির পর চিপকে ভারতের জয়টা শুধু সময়ের অপেক্ষা৷ প্রথম ইনিংসে ১৯৫ রানে এগিয়ে থাকার সুবাদে ইংল্যান্ডের সামনে ৪৮২ রানের ‘অসম্ভব’ টার্গেট দিয়েছিল ভারত৷

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এত রান তাড়া করে কোনও দল জেতেনি৷ ইংল্যান্ডও পারল না৷ ভারতের স্পিনের থ্রি মাস্কেটিয়ার্সের বিরুদ্ধে ১৬৪ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ড৷ সর্বোচ্চ মোয়েন আলির৷ ৯ নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে ১৮ বলে পাঁচটি ছয় ও তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ঝোড়ো ৪৩ রান করেন৷ শুধু তাই নয়৷ ইংল্যান্ড ইনিংসের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ আসে দশম উইকেটে৷ স্টুয়ার্ট ব্রডকে নিয়ে ১৯ বলে ৩৮ রান যোগ করেন আলি৷ ইংনিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর ক্যাপ্টেন জো রুটের ৩৩ রান৷ ইংল্যান্ডের পাঁচ ব্যাটসম্যান দু’ অংকের রানে পৌঁছতে পারেননি৷ অভিষেক টেস্টে ৬০ রান দিয়ে পাঁচ উইকেটে তুলে নেন বাঁ-হাতি স্পিনার অক্ষর৷

অস্ট্রেলিয়া সফরে একইভাবে সিরিজে প্রত্যাবর্তন করেছিল টিম ইন্ডিয়া৷ অ্যাডিলেডে প্রথম টেস্টে লজ্জাজনক হারের পর মেলবোর্নে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল ভারত৷ তারপর সিডনি টেস্ট ড্র  এবং ব্রিসবেন সিরিজে টেস্ট জিতে চার টেস্টে সিরিজ ২-১ পকেটে পুরেছিল টিম ইন্ডিয়া৷ ইংল্যান্ড সিরিজেও একই রকম হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷ চার টেস্টের সিরিজের বাকি দু’টি টেস্ট আমদাবাদে মোতেরা স্টেডিয়ামে৷ ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা তৃতীয় টেস্ট ডে-নাইট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.