নয়াদিল্লি: আর মাত্র কয়েক বছর। তারপরই জলাভাবে ভুগবে গোটা দেশ। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। চাহিদা ও যোগান সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না বলেই দেশ জুড়ে এই জলাভাব দেখা দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২৫-এ সেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে
জানা যাচ্ছে, এই কয়েক বছরের মধ্যে ভারতে মোট জলের চাহিদা ছাপিয়ে যাবে বর্তমানের সব জলের উৎসকে। দিনের পর দিন যেভাবে শিল্প বাড়ছে দেশে, তাতে জলের চাহিদা আরও বাড়বে। ঘরে ও কারখানায় জলের চাহিদা মেটানো সম্ভব নাও হতে পারে বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত জলের ৮০ শতাংশ মাটির তলা থেকে আসে। সেই জলের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।
সমস্যা মেটাতে আগামী বছরগুলিতে আমেরিকা, জার্মানি, কানাডা, ইতালি, ইস্রায়েল, চিন ও বেলজিয়াম থেকে জলের জন্য ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান আসবে ভারতে। আগামী তিন বছরে এই খাতে ভারতে ১৮০০০ কোটি টাকা আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, আগামী কয়েক বছরে জল সংক্রান্ত বিভাগে শিল্প বাড়বে দেশে। ইতিমধ্যে মুম্বই ও পুনেতে নিজেদের দফতর করতে প্রস্তুত মোট ১২ টি বিদেশি সংস্থা। বর্তমানে ১২০০ সংস্থা রয়েছে যরা এই বিষয়ে কাজ করে। জল সংক্রান্ত সেক্টরের হাব তৈরি হবে মহারাষ্ট্রে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.