ওয়াশিংটন: মুম্বই সন্ত্রাসবাদী হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড তথা লস্কর-ই তৈবার শীর্ষ নেতা জাকিউর রহমান লাকভির ছাড়া পাওয়া নিয়ে ভারতের আপত্তিকে গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিল রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ২৬/১১ মুম্বই হামলার প্রধান চক্রী লকভি সম্প্রতি পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পায়। এই নিয়ে প্রবল আপত্তি তোলে ভারত। রাষ্ট্রসঙ্ঘের হস্তক্ষেপ দাবি করে সংগঠনের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির বর্তমান প্রধান জিম ম্যাকলেকে এ ব্যাপারে চিঠি দেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি অশোক মুখোপাধ্যায়। চিঠিতে বলা হয়, লকভি ছাড়া পাওয়ায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠিত বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে৷ রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিষেধাজ্ঞা কমিটির অবশ্যই পাকিস্তানের কাছে ইস্যুটি তোলা উচিত। বিশেষ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের ব্যাপারে রাষ্ট্রসঙ্ঘের ১২৬৭ নম্বর প্রস্তাবকে অগ্রাহ্য করে লস্কর-ই-তৈবা কমান্ডার লকভিকে মুক্তি দিয়েছে পাক আদালত। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, লকভিকে জামিন দেওয়ার জন্য যে অর্থমূল্য দেওয়া হয়েছিল সেটিও রাষ্ট্রপুঞ্জ বিধির বিরুদ্ধে৷ কারণ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনের ক্ষেত্রে তহবিল বাজেয়াপ্ত করার যে বিধি রয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের , লকভির ক্ষেত্রে তা লঙ্ঘিত হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।