ফুকোউকা: ভরত চায় বুলেট ট্রেন আমদানি না করে এখানেই তৈরি করতে৷ এমন ইচ্ছার কথাই ভারত থেকে জানানো হয়েছে জাপানকে৷ খরচ কমাতে বুলেট ট্রেন ভারতেই তৈরি করতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় সরকার৷ ভারতীয় রেলের তরফে এমন ইচ্ছার কথাই জানানো হয়েছে জাপানকে৷ জাপান থেকে বুলেট ট্রেন আমদানি করতে গিয়ে বেশ আর্থিক খরচ হচ্ছে৷ যদি এদেশেই তৈরি করা যায় কোচ গুলি তাতে এই খরচ অনেকটা কমানো সম্ভব৷ তাই জাপানের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে৷ ভারতীয় রেলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের থেকে এই তথ্য মিলেছে৷

ভারত এই প্রথম মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল করিডর তৈরি করতে চলেছে ৷ ২০২২ থেকে তা চালু হওয়ার কথা৷ প্রাথমিক ভাবে এদেশ জাপানের কাছ থেকে ১৮টি শিনকানসেন ট্রেন কিনেছে৷ যার দরুন খরচ পড়েছে ৭,০০০ কোটি টাকা৷

ভারতীয় রেল দফতরের রোলিং স্টকের সদস্য রাজেশ অগরওয়াল ফুকোউকাতে এক সম্মেলনে জানিয়েছেন “আমরা জাপানকে প্রস্তাব দিয়েছি যাতে এদেশেই তাদের টেকনোলজি ব্যবহার করে বুলেট ট্রেনের কোচগুলি তৈরি করা যায়৷ যখন এটা সম্ভব হবে আমরা বুলেট ট্রেনের কোচগুলি এদেশেই অনেক কম খরচে তৈরি করতে পারব৷ এটা সম্ভব হলে সেটা হবে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে কম খরচের তৈরি বুলেট ট্রেনের কোচ৷”

তিনি আরও জানান “তারপর আমরা সেগুলি নিয়ে যেতে পারি সারা বিশ্বে৷ বহু দেশ চীনের পরিবর্তে আমাদের থেকে কিনতে পারবে৷ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয় দেশ গুলিই শুধু নয় ইউরোপ ও আমেরিকাতেও পাঠানো সম্ভব৷”

রাজেশ অগরওয়াল জানান, “অত্যাধুনিক কোচ ফ্যাক্টরি তৈরি হবে উত্তর প্রদেশের রায়বেরিলিতে৷ রায়বেরিলিই অত্যাধুনিক কোচ প্রস্তুত করার জন্য আদর্শ স্থান৷ সেখানে এক লক্ষ ৫০ হাজার দক্ষ রেলের কারিগর রয়েছেন৷ রয়েছে ৫০ টি ওয়ার্কশপ ও ৬টি প্রোডাকশন ইউনিট৷”

জাপানের রাষ্ট্রদূত কেঞ্জি হিরামাৎসু বলেন ভারতের স্থানীয় এলাকায় কোচ তৈরি নিয়ে আলোচনা চলছে৷ তিনি জানান “এবিষয়ে আলোচনা চলছে৷ আমি মনে করি এটা খুব ভাল হবে যদি এটি স্থানীয় এলাকায় তৈরি হয়৷ এব্যাপারে আমরা গভীরভাবে ভাবনাচিন্তা করছি৷”

যদি এমনটা হয় তাহলে একটি নতুন ব্যবসায়িক দিক খুলে যাবে৷ রাজ্যের মালিকানায় থাকা সংগঠনগুলির কাছে৷ “শুধুমাত্র জাপানের সঙ্গে মিলে রেলের এই কোচ তৈরি নয় অন্যান্য সেক্টর যেমন প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও আমাদের ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ব্যবহার করে বেশ কিছু দ্রব্য তৈরি করা সম্ভবপর হবে জাপানের সঙ্গে৷” জানিয়েছেন অগরওয়াল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।