রাষ্ট্রসংঘ: পাক প্রধানমন্ত্রীর রেকর্ড করা বক্তব্য শুরু হল রাষ্ট্রসংঘে। জায়ান্ট স্ক্রিনে চালানো হল সেই বক্তৃতা। আর সেটা চালানো হতেই

শুক্রবার ভাষণ শুরুর আগেই প্রতিবাদ স্বরূপ রাষ্ট্রসংঘের সভাকক্ষ ত্যাগ করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিজিতো ভিনিতো।

ইমরানের সেই ভাষণে যথারীতি কাশ্মীর ইস্যুতে নাক গলান ইমরান। জম্মু ও কাশ্মীরের আইনসভার পরিবর্তন, সেখানে ভারতীয় বাহিনীর উপস্থিতি, সংখ্যালঘুদের প্রতি ব্যবহারের মতো বিষয় নিয়ে যথারীতি মুখ খোলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কাশ্মীর একটি পারমাণবিক দ্বন্দ্বের জায়গায় পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিয়মের ভিত্তিতে কাশ্মীর ইস্যু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইমরান।

প্রত্যুত্তরে ভারতের তরফে স্পষ্ট জবাব দেওয়া হয়। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতের অখণ্ড অংশ হল জম্মু ও কাশ্মীর এবং ভবিষ্যতেও তা থাকবে। নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সংক্রান্ত যে কোনও বিষয় একান্তভাবেই ভারতের অভ্যন্তরীণ বলে নয়াদিল্লির তরফে সাফ জানানো হয়। তবে সেখানেই শেষ হয়নি, ভারতের তরফে খোঁচা দিয়ে জানানো হয়, ইমরানের ‘কোনও কৃতিত্ব নেই’। তাঁর ভাঁড়ার শূন্য।

রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি বলেন, ‘৭৫ তম বর্ষপূর্তিতে নয়া নিকৃষ্টের সাক্ষী থাকল এই মহান ফোরাম। যারা ঘৃণা ও হিংসায় প্ররোচনা দেয়, তাদের জন্য গলা ফাটিয়েছেন পাকিস্তানের নেতা।’

সেখানেই অবশ্য থামেননি তরুণ কূটনীতিবিদ। আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের স্বরূপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গত ৭০ বছরে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য এই দেশের একমাত্র গৌরব হল সন্ত্রাসবাদ, জনজাতির নির্মূলীকরণ, মৌলবাদের বাড়বাড়ত্ব এবং গোপনে পারমাণবিক বাণিজ্য।’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।