মুম্বই: আশঙ্কা ছিলোই। আর সেই আশঙ্কাতেই সিলমোহর দিয়ে লর্ডস থেকে সরল ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। নয়া ভেন্যু হিসেবে স্থির করা হল সাউদাম্পটনের অ্যাজিয়াস বোলকে। এমনটাই নিশ্চিত করা হল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে। সংবাদসংস্থা এএনআই’কে বিসিসিআই’য়ের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, ‘কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ফাইনাল সাউদাম্পটনেই খেলা হবে।’

ইংল্যান্ডকে ঘরের মাঠে ৩-১ ব্যবধানে দুরমুশ করে গত শনিবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারতীয় দল। পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থেকেই আগামী জুনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলবে কোহলিব্রিগেড। ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ফাইনাল ঘিরে এখন থেকেই ক্রিকেটপ্রেমীদের একটু একটু করে পারদ চড়তে শুরু করেছে। কিন্তু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে কোথায়? তা নিয়েই চলছিল চর্চা।

লর্ডসকে বাদ দিয়ে অন্য কোনও ভেন্যুকে যে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল হিসেবে বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে সেটা আগেই জানিয়েছিল আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের একটি সূত্র টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দাবি করে আগেই জানায়, ‘ফাইনালের ভেন্যু চুড়ান্ত করে শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। আইসিসি যে ভেন্যুকে ঘিরে পরিকল্পনা করছে সেটা লর্ডস নয়। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড এবং তাদের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের উপদেশ মেনেই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত ভেন্যু নির্ধারণ করবে। ইংল্যান্ডের মাটিতে গত গ্রীষ্মে টেস্ট সিরিজ আয়োজনে যে ধরনের জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছিল, এক্ষেত্রেও তেমনই জৈব বলয় থাকবে।’

অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ভেন্যু হিসেবে চূড়ান্ত করা হল অ্যাজিয়াস বোলকে। তবে ভেন্যু পরিবর্তন হলেও সাফল্যের সঙ্গে যেভাবে পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজ করোনা পরবর্তী সময় আয়োজন করেছিল ইসিবি, এক্ষেত্রেও একই রসায়ন অবলম্বন করা হবে। সেব্যাপারে আগেই নিশ্চিত করেছে আইসিসি।

উল্লেখ্য, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার পথে সবচেয়ে সফল হিসেবে ধরা দিয়েছে কোহলিব্রিগেড। ২০১৯ থেকে এযাবৎ ১৭টি টেস্টের মধ্যে ১২টি’তে জয় এবং একটি ম্যাচে ড্র করেছে ভারত। হেরেছে মাত্র ৪টি ম্যাচে। করোনার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জয়ের শতকরা হিসেবে কষে ফাইনালিস্ট নির্ণয় করেছে আইসিসি। ৭২.২২ শতাংশ জয় নিয়ে সেখানেও শীর্ষে কোহলি অ্যান্ড কোম্পানি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।