মুম্বই: ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পরও জাতীয় দলে সূর্যকুমার যাদবের জায়গা না-হওয়া নিয়ে প্রাক্তনরা সুর চড়িয়েছিলেন নির্বাচকদের বিরুদ্ধে৷ এবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের অস্ট্রেলিয়া সফরের ভারতীয় দলে দেখতে না-পেয়ে অবাক হয়েছেন কিংবদন্তি ব্রায়ান চার্লস লারা৷

আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতীয় দলে সূর্যকুমার থাকা উচিত ছিল বলে মনে করেন ক্যারিবিয়ান এই কিংবদন্তি৷ অস্ট্রেলিয়ায় সাদা বলের ফর্ম্যাটে ভারতীয় দলে সূর্যকুমার নিজের যোগ্যতায় ঢুকত বলে মনে করেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান৷

মরু শহরে সদ্যসমাপ্ত আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণে ১৪৫-এর বেশি স্ট্রাইক-রেটে ৪৮০ রান করলেও অস্ট্রেলিয়া সফরের ভারতীয় দলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে রাখেননি নির্বাচকরা৷ স্টার স্পোর্টস-এর ক্রিকেট কানেক্টেড শো-য়ে লারা বলেন, ‘আমি জানি না কেন ওকে ভারতীয় দলে দেখতে পারছি না৷’
সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে বড় অবদান ছিল সূর্যকুমারের। ১৬ ম্যাচে ৪টি হাফ-সেঞ্চুরিতে তিনি করেন ৪৮০ রান। গড় ছিল ৪০। এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের আইপিএলে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল যথাক্রমে ৫১২ ও ৪২৪ রান। অর্থাৎ টানা তিন আইপিএলে ব্যাটে ধারাবাহিক দেখিয়েছেন তিনি৷

ক্রিকেট শো-য় লারা বলেন, ‘ও দুর্দান্ত খেলোয়াড়। আমি শুধু ক্রিকেটারদের রান দেখি না। আমি তাদের টেকনিক, চাপের মুখে খেলার ক্ষমতা, কোন জায়গায় তারা ব্যাট করছে, সেগুলোও দেখি। মুম্বইয়ের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছে সূর্যকুমার।’

প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান অধিনায়কের মতে, ‘রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি’কক আউট হওয়ার পর ও ক্রিজে আসত। দ্রুত উইকেট পড়লে সূর্যকুমার তিন নম্বরে নামত৷ সাধারণত ৩ নম্বরে সেরা ব্যাটসম্যানকেই পাঠানো হয়। যার উপর দল সবচেয়ে বেশি ভরসা করে। আর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সবচেয়ে ভরসামান ব্যাটসম্যান ছিল সূর্যই৷ সুতরাং ভারতীয় দলে ও কেন নেই, তার কোনও ব্যাখ্যা আমি দেখতে পাচ্ছি না৷

২৭ নভেম্বর ওয়ান ডে সিরিজ দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে অভিযান শুরু করছে কোহলি অ্যান্ড কোং। তার পর রয়েছে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ। সব শেষে ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ৷ প্রথম টেস্ট শুরু ১৭ ডিসেম্বর থেকে অ্যাডিলেড ওভালে। যেটি আবার ডে-নাইট টেস্ট৷ বিদেশে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I