নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার নয়া মাইলস্টোন ছুঁল দেশ। একদিনে ভ্যাকসিন পেলেন ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রদত্ত তথ্য বলছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৭ টা অবধি ভ্যাকসিন পেয়েছেন ১০ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ, যার ফলে ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে মোট ভ্যাকসিন পেয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ।

উল্লেখ্য, দেশে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় দফায় করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ। ফ্রন্ট লাইন ওয়ার্কাস থেকে শুরু করে, এবার ৬০ এর বেশি বয়স্ক মানুষ ও ৪৫ বছরের বেশি বয়স এমন কো-মর্বিবিটি যুক্ত মানুষদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে চলতি সপ্তাহ থেকেই।

আরও পড়ুন – ভ্যাকসিন নিয়ে আনন্দে বরফজমা লেকের ওপর ভাংরা, ভাইরাল ভিডিও

ভারত একদিকে যখন এই মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলল, তখন অন্যদিকে মহারাষ্ট্র, কেরল, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, গুজরাত, কর্ণাটকের মতো রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ।

বৃহস্পতিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৪০৭ জন। মহারাষ্ট্রে অক্টোবরের ১৯ তারিখের পর থেকে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এদিন মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮৫৫ জন। কেরলে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ২,৭৬৫ জন, পঞ্জাবে সংখ্যাটা ৭৭২। অন্যদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিলের করোনা ভ্যারিয়ান্টে এখন অবধি আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন।

আরও পড়ুন – মাদককাণ্ড: ফের রাকেশ সিংহের নামে বিস্ফোরক পামেলা গোস্বামী

সংক্রমণ রোধে গাইডলাইন জারি করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত শপিং মলগুলিতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতেই হবে। যেসব কর্মীরা শপিং মলে কাজ করছেন, তাঁরা দ্রুত সংক্রামিত হতে পারেন। সেই ঝুঁকি রুখতে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শপিং মল, রেস্তোরাঁ, ধর্মীয় স্থানের জন্য আলাদা আলাদা গাইডলাইন সামনে আনা হয়েছে। রেস্তোরার ভিতরে সামাজিক দূরত্ব মেনে ক্রেতাদের বসার ব্যবস্থা করতে হবে বলে বলা হয়েছে। শপিং মলে এন্ট্রি ও এক্সিট গেট আলাদা হতে হবে। ফেস মাস্ক না পরলে প্রবেশাধিকার মিলবে না ধর্মীয় স্থানে। এছাড়া করোনা বিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলী ধর্মীয় স্থানের নানান জায়গায় আটকাতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.