নয়াদিল্লি : উপগ্রহের ছবি বলে দেবে চিনা সেনার অবস্থান ঠিক কোথায়। সেই অনুযায়ী এগোবে ও রণকৌশল ঠিক করবে ভারত। এই পরিকল্পনা নিয়েই আপাতত ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করবে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সেই বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উপগ্রহ তথ্য নেবে ভারত। সেই লক্ষ্যেই কথা হতে চলেছে দুই দেশের মধ্যে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল অস্ত্র রফতানির হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। মার্ক এস্পার জানান সমমনস্ক দেশগুলিকে অস্ত্র সরবরাহ বাড়ানোর কথা জানানো হবে। আমেরিকা অস্ত্র রফতানির হার বাড়াতে চায়। চিন ও রাশিয়ার শত্রু দেশগুলিকে আরও অস্ত্রের সম্ভার বাড়াতে হবে বলে এদিন জানিয়েছে এস্পার।

পেন্টাগন প্রধান জানান, আমেরিকা চায় তাঁর বন্ধু রাষ্ট্রগুলির হাতে যথেষ্ট পরিমাণে অস্ত্র থাকুক, যাতে প্রয়োজনে চিন বা রাশিয়ার মোকাবিলা তারা করতে পারে। সেই অস্ত্রের যোগানদার হবে আমেরিকা। এখানেই প্রশ্ন উঠছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব কি তাহলে ভারতকে উদ্দেশ্য করেই কথাগুলি বলেছেন। কারণ সাম্প্রতিক সীমান্ত সমস্যা মূলত ভারত ও চিনের মধ্যে।

এস্পার বলেন বেজিং ও মস্কো অস্ত্র রফতানির বাজারে আধিপত্য পেতে চাইছে। এটা কখনই মেনে নেওয়া যায় না। গোটা বিশ্বের প্রতিটি দেশের কাছে এটা ঝুঁকির বিষয়। এদিকে, চিনের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াইয়ের মাঝেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। আগামী সপ্তাহেই দেশে আসছেন তিনি। ২৬ ও ২৭শে অক্টোবর নয়াদিল্লিতে দুই দেশের মধ্যেই পারস্পরিক চুক্তি সম্পর্কিত একাধিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠকে হতে চলেছে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক স্তরে। বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশন এগ্রিমেন্টের আওতায় এই চুক্তি হবে বলে সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য চিনের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াইয়ের মাঝেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। আগামী সপ্তাহেই দেশে আসছেন তিনি। ২৬ ও ২৭শে অক্টোবর নয়াদিল্লিতে দুই দেশের মধ্যেই পারস্পরিক চুক্তি সম্পর্কিত একাধিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I