ওয়াশিংটন: চলতি বছরের শেষে ভারত ও আমেরিকার বাণিজ্য পৌঁছবে ১৮ বিলিয়ন ডলারে। আগামী সপ্তাহেই দিল্লিতে ভারত-আমেরিকা Defence Technologies and Trade Initiative বা DTTI group-এর বৈঠক রয়েছে। তার আগেই পেন্টাগনের তরফ থেকে এই হিসেব দেওয়া হল।

আমেরিকার প্রতিরক্ষা ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক মন্ত্রী এলেন এম লর্ড বলেন ভারতের সঙ্গে তার দেশ সেনাবাহিনী পর্যায়ে সম্পর্ক ও সহযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে শুরু হচ্ছে ডিটিটিআই এর নবম বৈঠক। এতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী এলেন এম লর্ডের। তার আগে শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০০৮ সালে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা বাণিজ্য কার্যত শুন্য থাকলেও এই বছরের শেষে তা ১৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে। ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরের ডিটিটিআই শুরুর আগে আমাদের অন্যতম প্রতিরক্ষা সহযোগী ভারতের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখতে আমি ব্যাপক আনন্দিত।’ মন্তব্য করেন তিনি।

এম লর্ড জানান, আমেরিকা ভারতকে গত অগস্টে টায়ার -১-এর মর্যাদা দিয়েছে। এর ফলে দিল্লি আরও বেশি মার্কিন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাবে। তিনি জানিয়েছেন, এই সুযোগ ন্যাটো মিত্র জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া পেয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে ভারতেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির উপর জোর দিচ্ছে মোদী সরকার। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগে উত্সাহী মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলি। লোকহিড মার্টিন, বোয়িংয়ের মতো সংস্থাও চাইছে দেশীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করতে। তবে, অনেকাংশে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়ার’ বেশ কিছু শর্ত।

লকহিড মার্টিন ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, যদি ভারত এফ-২১ কিনতে চায়, তাহলে ওই বিমান কাউকে বিক্রি করবে না। ভারতে বায়ুসেনার বিমান কেনা নিয়ে যে দরপত্র হেঁকেছে, তাতে অংশগ্রহণ করেছে লকহিড মার্টিন। সূত্রের খবর, ১৮০০ কোটি মার্কিন ডলারের ওই দরপত্র পেতে মরিয়া লকহিড মার্টিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.