নয়াদিল্লি: ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাত নিয়ে ভালো মুডে নেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তেমনটাই গোটা বিশ্বকে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একহাত কটাক্ষ ছুঁড়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর।

শুক্রবার ট্যুইটার হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমরা আমাদের সব চিন্তা ভুলে যেতে পারি যেহেতু ভারত সত্যি বিশ্বস্তরে পৌঁছে গিয়েছে। এখন আমাদের কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আছেন যিনি আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুড কেমন আছে তা বিশ্বকে জানান”।

তবে শুধু প্রশান্ত কিশোর নয়, বিরোধী দলের অনেকের মধ্যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সীমান্তে ভারত-চিনের সংঘাত নিয়ে স্বচ্ছতা রাখার দাবি জানিয়েছেন। দেশকে জানাতে বলেছেন সেখানে আসলে কি হচ্ছে। রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে সরকারের নিস্তব্ধতা এই চরম সংকটে জল্পনা আরও বাড়াচ্ছে। ভারত সরকারের দায়িত্ব নিয়ে পরিষ্কার করা উচিত কি চলছে”।

এদিকে, ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতে মধ্যস্থতা করতে চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দু’পক্ষ চাইলে তিনি সমস্যা মেটাতে উদ্যোগ নিতে তৈরি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবে সায় নেই চিনের। ভারতের সঙ্গে সীমান্তের সমস্যা মেটাতে কারও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন নেই বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জবাব দিয়েছে বেজিং।

শুধু তাই নয়, এর আগে ভারত-চিন সীমান্তে লাদাখ এবং সিকিম সেক্টরে তৈরি সমস্যা নিয়ে ট্রাম্প মধ্যস্ততার কথা জানিয়েছিলেন।

মে মাসের ৫ তারিখ থেকে ভারর-চিন উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। চারদিন পরেই মে মাসের ৯ তারিখ সিকিম সেক্টরে একইরকম ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন বহু ভারতীয় সেনা।

একাধিক বার চিনের সঙ্গে ভারতের এ নিয়ে কথা হলেও কোনও সুরাহা মেলেনি। ইতিমধ্যেই লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে ৫০০০ সেনা মোতায়েন করেছে চিন। পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য ভারতের তরফেও এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গালোয়ান উপত্যকা ঘিরে এই ঘটনায় লাদাখ সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে বাড়ছে আতঙ্ক।

এ প্রসঙ্গে টুইটে মোদী সরকারের উদ্দ্যেশ্যে রাহুল গান্ধীর প্রশ্ন, ‘ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে সরকার নীরব। এই নীরবতা বড় কোনও বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে না তো?’

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV