ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের সেনাকে জানিয়েছে, ইসলামাবাদ যদি ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ বন্ধ না করে তাহলে ভারতও জবাব দেওয়া বন্ধ করবে না।

প্রতিরক্ষা সূত্র বলেছে, ভারত সামরিক অপারেশনের বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা দাবি করেছে, ওই ফোন কলগুলি পাকিস্তানই করেছিল। যার ফলে বড় মাপের ক্ষতি হয়েছে। সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হয়েছেন নিয়ন্ত্রণ সীমায় বেপরোয়া গুলি চালানোয়।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোট বিমান হামলার পর নিয়ন্ত্রণ সীমায় পাকিস্তানের যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ভারত তীব্র ভাবে সাড়া দিয়েছে। সূত্র বলছে, ভারত যুদ্ধ বিরতিতে পাকিস্তানী পোস্টগুলো লক্ষ্য করে বোফোরস সক্রিয় করেছে। ভারত একেবারেই পরিষ্কার করে দিয়েছে, সেনাবাহিনী যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন এবং সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যাট ও বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

সূত্র মতে, সম্প্রতি পাকিস্তান ব্যাটকে নিয়ে বেশ কয়েকটি নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। এই ব্যাট সন্ত্রাসবাদী বাহিনী এবং পাকিস্তান সেনা কম্যান্ডো উভয় দ্বারাই সংগঠিত। তারা নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ঘাঁটি গেড়েছে ভারতীয় সৈন্যদের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত করে। অতীত সাক্ষী রয়েছে ভারতীয় সৈন্যদের মাথা ছিন্ন করতে এবং তাদের মৃতদেহ নিশ্চিহ্ন করতে পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীর ভূমিকা।

অন্যদিকে উল্টো সুর পাকিস্তানের গলায়। পাকিস্তান বুধবার ইসলামাবাদে ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনারকে তলব করেছে, নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় বাহিনীর ভিত্তিহীন যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনের কারণ জানতে চেয়ে। যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন একজন মানুষ। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র মোহাম্মদ ফয়সাল ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার গৌরভ অহলুওয়ালিইয়াকে তলব করেছেন এবং সেই সঙ্গে গত ১ এপ্রিল এবং ২ এপ্রিল তারিখে ভারতীয় সেনার বেপরোয়া হামলার বিষয়ে নিন্দা করেছেন। জানা গেছে, পাকিস্তান পররাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা এক বিবৃতিতে।

পাশাপাশি বলা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল তাঁদের তিন সেনা সদস্য ভারতীয় সেনাদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তারা আরো বলেছেন, বিষয়টিকে অনেকখানি খাটো করে দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে অনেক কম তথ্য জ্ঞাপন করা হচ্ছে। ফেসবুক কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত আইএসপিআর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রচারের অনুবিভাগ, ভুল তথ্যের মূল অস্ত্র।