মুম্বই: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জিতে দেশ ফিরল টিম ইন্ডিয়া৷ বৃহস্পতিবার যে যার নিজের শহরে ফিরলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ এদিন মুম্বই বিমানবন্দরে অজিঙ্ক রাহানে, রোহিত শর্মা, রবি শাস্ত্রী ও পৃথ্বী শ-কে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়৷

গাব্বায় প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরল টিম ইন্ডিয়া। প্রথম একাদশের একাধিক ক্রিকেটার দলে না-থাকলেও অজিদের পর্যুদস্ত করে চার টেস্টের সিরিজ ২-১ জিতে নেয় ভারত৷ দুর্দান্ত এই জয় তৃপ্তি দিয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের৷ সাবা বিশ্ব বন্দনা করেছে রাহানেদের৷ ক্যাপ্টেন রাহানেকে আনতে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও কন্যা৷ আর দিল্লি বিমানবন্দরে নামেন ঋষভ পন্ত৷

ভারতীয় দলের অনেক ক্রিকেটারই সেপ্টেম্বরে আইপিএল খেলতে দুবাই পৌঁছে ছিলেন৷ ১০ নভেম্বর আইপিএল ফাইনালের পর দুবাই থেকে সরাসরি অস্ট্রেলিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন৷ অর্থাৎ রাহানে-পন্তরা প্রায় পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন৷ কোভিড-১৯ প্রকোপ না-থাকলে রাহানে-রোহিতদের সংবর্ধনা জানাতে বিমানবন্দরে উপচে পড়া ভিড় থাকত৷ তবে নিরপত্তার মধ্যেই বিমানবন্দর থেকে যে যা নিজের বাড়ির পথে রওনা হন৷

প্রথম সন্তানের সময় স্ত্রী’র পাশে থাকতে বিরাট কোহলি অ্যাডিলেড ওভালে প্রথম টেস্টের পরই দেশে ফেরেন৷ বিরাট না-থাকায় পরের তিনটি টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দেন রাহানে৷ বাকিটা ইতিহাস৷ কোহলির নেতৃত্বে অ্যাডিলেড ওভালে সিরিজের প্রথম টেস্ট হারে ভারত৷ শুধু হারেনি, দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৩৬ রানে অল-আউট হয়ে ভারতীয় ক্রিকেটকে একরাশ লজ্জা ‘উপহার’ দিয়েছিল বিরাটবাহিনী৷ কিন্তু মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টে ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় রাহানের টিম ইন্ডিয়া৷ বক্সিং ডে টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারায় ভারত৷ সিডনিতে তৃতীয় টেস্ট ড্র করে সিরিজ জয়ের আশা জিইয়ে রেখেছিল রাহানে অ্যান্ড কো৷ আর ব্রিসবেনে, যেখানেও ভারত কোনও দিন টেস্ট ম্যাচ জেতেনি, সেখানেই মঙ্গলবার ইতিহাস রচনা করেন গিল-পন্তরা৷

গাব্বায় এর আগে সবচেয়ে বেশি ২৩৬ রান তাড়া করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ তাও সেটা ৭০ বছর আগে৷ অর্থাৎ ১৯৫১ সালে৷ গাব্বায় অস্ট্রেলিয়ার পয়া মাঠে ৩২৮ তাড়া করে জয়ের স্বপ্ন অতি বড় সমর্থকও দেখেননি৷ কিন্তু মঙ্গলবার তা করে দেখান শুভমন গিল, ঋষভ পন্তরা৷ ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়াকে ৩ উইকেটে হারিয়ে চার টেস্টের সিরিজ ২-১ জিত নেয় রাহানে অ্যান্ড কোং৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।