নয়াদিল্লি : আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বুক চিরে সফল উৎক্ষেপণ হল ব্রহ্মস সুপারসনিক মিসাইলের। বুধবার আন্দামান থেকে এই উৎক্ষেপণ করা হয়। নভেম্বর মাসেই বেশ কয়েকটি সুপারসনিক মিসাইলের উৎক্ষেপণ হওয়ার কথা ছিল। এটি তার মধ্যে অন্যতম।

এই মিসাইল ৪০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ডিআরডিও-র আওতায় পিজে-১০ প্রজেক্টের নিয়ন্ত্রণাধীন এই মিসাইলের দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হল। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অতিরিক্ত বুস্টার প্রয়োগ করে এই মিসাইল তৈরি করা হয়েছে। এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের ফলে ডিআরডিও-র হাতে এখন ৫০০ কিমি রেঞ্জের মিসাইল তৈরি রইল।

সম্প্রতি চিন সীমান্তে সবথেকে বেশি গতিসম্পন্ন এই মিসাইল মোতায়েন করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এর গতি হবে ৩০০০ কিলোমিটার/ ঘণ্টা। আর এতেই আতঙ্ক বেড়ে গিয়েছে চিনের। এই ব্রহ্মস মিসাইল ল্যান্ড অ্যাটাক ভার্সনের। বুধবার সকাল ১০টায় সফল ভাবে উৎক্ষেপণ হয় ব্রহ্মসের। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে এতদিন যতগুলি ব্রহ্মস মিসাইলের উৎক্ষেপণ হয়েছে, সেগুলি সবকটিরই সফল টেস্ট হয়েছে।

আগামী কয়েকদিনে ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনা বেশ কয়েকটি মিসাইল পরীক্ষা করবে বলে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বায়ু থেকে ভূমি ও জল থেকে ভূমি রেঞ্জের মিসাইল উৎক্ষেপণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অক্টোবরের শেষেও ব্রহ্মসের সফল উৎক্ষেপণ করা হয়। ভারতীয় নৌসেনা ও সেনা বাহিনীকে সবরকম ভাবে সাহায্য করবে ব্রহ্মস মিসাইল। সুখোই ২০ এমকেআইয়ের থেকে সফল উৎক্ষেপণ ব্রহ্মস মিসাইলের। বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করে ব্রহ্মস। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ব্রহ্মস সুপার সনিক ক্রুজ মিসাইল।

ডিআরডিওর হাতে তৈরি ব্রহ্মস বঙ্গোপসাগরের ওপর একটি জাহাজকে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেয়। পঞ্জাবের এয়ারবেস থেকে যাত্রা শুরু করে সুখোই ৩০ এমকেআই।

মাঝ আকাশেই জ্বালানি ভরে নামে বঙ্গোপসাগরের বুকে। সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে সংবাদসংস্থা এএনআই। দ্বিতীয়বারের উৎক্ষেপণে ব্রহ্মসের সর্বোচ্চ গতি ও রেঞ্জ পরীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।