নয়াদিল্লি: বুধবার সামরিক শক্তিতে ফের সাফল্য এল ভারতের কাছে। সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করা হল সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস। এই মিসাইল ৪০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ডিআরডিও-র আওতায় পিজে-১০ প্রজেক্টের নিয়ন্ত্রণাধীন এই মিসাইল বুধবার সকাল ১০ টায় উৎক্ষেপণ করা হয়।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ব্রহ্মস মিসাইল পরীক্ষা করা হল। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অতিরিক্ত বুস্টার প্রয়োগ করে এই মিসাইল তৈরি করা হয়েছে। এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের ফলে ডিআরডিও-র হাতে এখন ৫০০ কিমি রেঞ্জের মিসাইল তৈরি রইল।

সম্প্রতি চিন সীমান্তে সবথেকে বেশি গতিসম্পন্ন এই মিসাইল মোতায়েন করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এর গতি হবে ৩০০০ কিলোমিটার/ ঘণ্টা। আর এতেই আতঙ্ক বেড়ে গিয়েছে চিনের। অন্ধ্রপ্রদেশের সীমান্তে এই মিসাইল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাখা হতে পারে কাশ্মীরেও। পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শত্রুদেরও সহজেই টার্গেট করা যায় এই মিসাইলের মাধ্যমে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি রেজিমেন্টের প্রত্যেকটিকে ১০০টি করে মিসাইল আছে।

ভারতীয় সেনার গর্বের মিসাইল ব্রহ্মস । চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে এই মিসাইল। ২০০৭ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রয়েছে ‘ব্রহ্মস’। একাধিকবার এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ পরীক্ষা করা হয়েছে। করা হয়েছে আরও অত্যাধুনিক। এক সময় ব্রহ্মস এয়ারোস্পেসের তৎকালীন প্রধান সুধীর মিশ্র বলেছিলেন, ‘ব্রহ্মস মিসাইল সিস্টেম ভারতের সবথেকে ক্ষমতাশালী অস্ত্র।

নতুন ভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে ব্রহ্মস । কারণ এতে রামজেট ইঞ্জিন ও ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। রয়েছে সফটওয়ারে কিছু পরিবর্তন। উচ্চ তাপমাত্রায় সফল ভাবে কাজ করতে সক্ষম ব্রহ্মস । ভারতীয় সেনার চাহিদা অনুযায়ী এই মিসাইল তৈরি করেছে ডিআরডিও।

ভারতে এখনও পর্যন্ত ব্রহ্মসের তিনটি রেজিমেন্ট প্রস্তুত। প্রতিটিতেই রয়েছে ব্লক-৩ ভার্সনের মিসাইল। এই মিসাইল যে কোনও গোপন স্থানে লুকিয়ে থাকা শত্রুর উপর আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও পরবর্তীকালে অত্যাধুনিক এবং শক্তিশালী এই মিসাইলের রেঞ্জ আরও বাড়ানো হয়েছে। মাটি, সমুদ্র কিংবা আকাশ যে কোনও জায়গা থেকেই এটি ছোঁড়া সম্ভব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।