হিলি সীমান্ত (দিনাজপুর): ক্ষণিকের স্বস্তি। তারপরেই আবার উদ্বেগ। ফের বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করল ভারত। এর আগে পরপর পাঁচ দিন রফতানি বন্ধের পর শনিবার ঢুকেছিল পেঁয়াজ। কিন্তু রবিবার থেকে পরিস্থিতি জটিল। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।

ওপারে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি। সেখান থেকে কোনও পেঁয়াজ ভরতি ট্রাক ঢুকছে না বাংলাদেশের দিনাজপুরে। নতুন করে নির্দেশ না আসা পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানির সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে শনিবার আমদানি হওয়ায় পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০-৫০ টাকা হয়েছে। ভারত ফের রফতানি বন্ধ করায় বাংলাদেশের বাজারে আবার অস্থিরতা তৈরি হবে। এমনই মনে করা হচ্ছে। বিবিসি জানিয়েছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য ঠিক রাখতে সাময়িক পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এতে সীমান্তে কাছে চালানি পেঁয়াজ আটকে যায়। ঢাকা সহ দেশের সর্বত্র পেঁয়াজের কেজি প্রতি দাম একশ টাকা পার করেছিল। পরে বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় সীমান্তের কাছে আটকে থাকা পেঁয়াজ আমদানি করার ছাড়পত্র পায়। এরই মধ্যে পচন ধরতে থাকে পেঁয়াজে।

লোকসানে পড়েন ভারতের রফতানি ব্যবসায়ীরা। শনিবার সীমান্ত পেরিয়ে পেঁয়াজ ঢুকলেও রবিবার ফের রফতানি বন্ধ করল ভারত।

হিলি সীমান্তের আমদানিকারকরা জানাচ্ছেন, আগে থেকে টেন্ডার হওয়া মাত্র ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। অধিকাংশ পেঁয়াজই পচে নষ্ট হয়েছে। আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ নিয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশে পেঁয়াজের যোগান ঠিক রাখতে মায়ানমার থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। তুরস্ক, মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এর আগে ভারত রফতানি বন্ধ করায় পেঁয়াজের বাজারে যে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, সেই অবস্থা তৈরি হতে দেওয়া যাবে না।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।