নয়াদিল্লি: ফের পাকিস্তানকে একহাত নিল ভারত। এবার ইস্যু বাবরি মসজিদ। বৃহস্পতিবার ভারত বলে আইনের শাসন কাকে বলে, তা কীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হয়, সেটা কখনই বুঝবে না পাকিস্তান। কারণ পাকিস্তান বরাবরই দমনমূলক শাসন যন্ত্রের কাজ করেছে। তাই আইন সেদেশে প্রহসনের নামান্তর।

উল্লেখ্য, বাবরি মামলায় অভিযুক্ত ৩২ জনকে বেকসুর খালাস দেয় সিবিআই বিশেষ আদালত। বাবরি ধ্বংস মামলা থেকে মুক্ত হন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশি, উমা ভারতী-সহ ৩২ অভিযুক্ত।

আদালত জানায়, বাবরি মসজিদ ধ্বংস কোনও পূর্ব-পরিকল্পিত ঘটনা নয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ নেই। সিবিআই যেসব অডিও বা ভিডিও দিয়েছে, তার সত্যতাও প্রমাণিত হয়নি। বাবরি মসজিদের ডোমের উপর যারা চড়েছিল, তাদের সমাজ-বিরোধী আখ্যা দিয়েছে আদালত।

এই প্রসঙ্গেই ভারতের সমালোচনা করেছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের বক্তব্য ছিল, সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সুরক্ষিত রইল না। বিশেষ করে মুসলিমরা সঠিক বিচার পেলেন না। তাঁদের নিরাপত্তা ও ধর্মাচারণের ওপর এই রায় সুস্পষ্ট আঘাত।

এরপরেই কড়া জবাব দেয় নয়াদিল্লি। এদিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়ে দেন ভারতে একটা পরিণত গণতান্ত্রিক পরিবেশ রয়েছে। সেখানে প্রতিটি ধর্মকে সমান চোখে দেখা হয়। তবে এই পরিবেশের বিষয়ে বোঝা পাকিস্তানের পক্ষে কঠিন কাজ।

উল্লেখ্যা, বাবরি ধ্বংসের প্রত্যক্ষদর্শীর সংখ্যা অন্তত ৩০-৪০ হাজার। তবে সিবিআই মোট ১০২৬ জনকে সাক্ষী হিসেবে পেশ করার অনুমতি চেয়েছিল। এদের মধ্যেও মাত্র ৩৫১ জন আদালতে গিয়ে সাক্ষী দেন। সেই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নথি এবং ভিডিও ফুটেজ পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

এরআগেও রামমন্দির গঠন নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বলেছিল করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যেও রাম মন্দির গঠন করতে ভুলছে না মোদী সরকার। হিন্দুত্ববাদকে সামনে রেখে রাম মন্দির গঠনের কাজ চলছে।

সেই সঙ্গে তাঁদের বক্তব্যে উঠে এসেছিল আরএসএস-বিজেপি জোটের কথাও। বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির গঠনের কাজ শুরু করেছে মোদী সরকার, এই কাজ হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার পথে আরও এক ধাপ বলে সমালোচনা করে ইসলামাবাদ।

তারই প্রেক্ষিতে কড়া জবাব দেয় নয়াদিল্লিও। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দেয়, পাক বিদেশ মন্ত্রকের সময় করে নিজেদের সংবিধান পড়া উচিত। তবেই দুই দেশের সংবিধানের পার্থক্য বুঝতে পারবেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।