বেজিং : দুদেশের মধ্যে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের বৈঠক হলেও, সীমান্ত সমস্যা কতটা মিটবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেই। এরই মধ্যে ভারতকে তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করল চিন। বেজিং এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করে ভারতকে সতর্ক করে।

বেজিং জানায় কোনওভাবেই যেন ভারত চিনের সম্পর্কের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে না পারে। চিনের আশঙ্কা নয়াদিল্লি বেজিংয়ের টানাপোড়েনে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে আমেরিকা। আমেরিকাকে মধ্যস্ততা করতে দেওয়ার ভুল যেন নয়াদিল্লি না করে।

উল্লেখ্য, গত একমাস ধরেই হাতাহাতি থেকে শুরু করে যুদ্ধের হুঙ্কারে সরগরম রয়েছে LAC. এই পরিস্থিতিতে মুখোমুখি হবে ভারত ও চিনের লেফট্যানেন্ট জেনারেল। শনিবারই রয়েছে সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

ভারতের তরফে চিনা সেনা সরানোর দাবি জানানো হবে বলে জানা গিয়েছ। LAC থেকে স্থায়ী এবং অস্থায়ী নির্মাণ সরিয়ে ফেলতেও বলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের তরফে এই বৈঠকে উপথিত থাকবেন লেফট্যানেন্ট জেনারেল হরিন্দর সিং ও চিনের তরফে থাকবেন চিনা সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল লিউ লিন।

সেনা সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে চিন যুদ্ধাস্ত্র মজুত করছে। দিনে-দিনে সেইসব সমরাস্ত্রের বহর বাড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে সীমান্তে সেনা গতিবিধিও লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়াচ্ছে বেজিং। চিনা গতিবিধি তৎপর হতেই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতও।

এরই মধ্যে চিনের প্রকাশনা সংস্থা গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে আমেরিকা নিজের সুবিধার জন্য ভারত চিন সম্পর্কে নাক গলাতে চাইছে। আমেরিকাকে সুযোগ দিয়ে ভারত যেন বোকামো না করে। এতে জটিলতা আরও বাড়বে কারণ আমেরিকা চায় ভারত চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খারাপ হোক।

উল্লেখ্য ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতে মধ্যস্থতা করতে চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দু’পক্ষ চাইলে তিনি সমস্যা মেটাতে উদ্যোগ নিতে তৈরি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবে সায় নেই চিনের। ভারতের সঙ্গে সীমান্তের সমস্যা মেটাতে কারও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন নেই বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জবাব দিয়েছে বেজিং।

শুধু তাই নয়, এর আগে ভারত-চিন সীমান্তে লাদাখ এবং সিকিম সেক্টরে তৈরি সমস্যা নিয়ে ট্রাম্প মধ্যস্ততার কথা জানিয়েছিলেন।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব