নয়াদিল্লি: ভারত চিন সীমান্তে উত্তেজনার জেরে দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি অন্যের উপর নির্ভরতা কমাতে স্বদেশি পণ্য উৎপাদনে নজর দিতে বলা হচ্ছে।এই অবস্থায় বণিকসভা অ্যাসোচেম ১৫টি পণ্য ও কাঁচামাল চিহ্নিত করেছে যেগুলির দিকে অবিলম্বে ‌নজর দেওয়া দরকার।

এখন রাজনৈতিক কারণে চিনকে অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপে রাখতে রাতারাতি সেখানকার পণ্য আমদানি বন্ধ করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ করে এমনটা করলে দেশের ‘সাপ্লাই চেইন’ ব্যাহত হতে পারে এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে ধাক্কা খেতে পারে। সে ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সাবধান করেছে রপ্তানি শিল্প, গাড়ি ও তার যন্ত্রাংশ নির্মাতা, ওষুধ, বৈদ্যুতিন পণ্য মোবাইল হ্যান্ডসেট নির্মাতা ইত্যাদি।

এই অবস্থায় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য আসোচেমের পরামর্শ অন্তত তাদের চিহ্নিত করা ১৫ পণ্য ও কাঁচামাল যেমন করেই হোক দেশের মাটিতে তৈরি করতে হবে বা তৈরি করার ক্ষমতা বাড়াতে হবে।

এই বণিকসভার কর্তা দীপক সুদ দাবি করেছেন, স্বনির্ভর হতে এদেশেরই পণ্যগুলি উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে গেলে লগ্নি করতে হবে। বণিকসভা যে ১৫টি পণ্যের কথা বলেছে তাদের মধ্যে রয়েছে-বৈদ্যুতিন পণ্য, কয়লা লোহা ইস্পাত, অন্যান্য ধাতু, উদ্ভিজ্জ তেল ও ফল, বৈদ্যুতিক ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ, রাসায়নিক, পরিবহন এর সরঞ্জাম, ওষুধ সার ইত্যাদি। এই সব পণ্যের একটা বড় অংশ চিন থেকে আসে।

সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এই গুলিতে স্বনির্ভর হতেও কিছুটা সময় লাগবে অন্তত দুই তিন বছর। এই সময়টা কম নয়। আর এই সময় কি করা হবে? দেশিয় শিল্পকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে কিছুটা হলেও সময় দিতে হবে নইলে তা মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।

আর একদিকে গুণগতমান সেরা হতে হবে এবং অন্যদিকে বিশ্ববাজারে লড়ার জন্য দাম সস্তা হতে হবে। প্রসঙ্গত এই ক্ষমতাটাই চিন অর্জন করেছে বলেই সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে। ভারতকেও এবার সেটা অর্জন করতে হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ