নয়াদিল্লি: ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসাবে জায়গা করে নেবে ভারত৷ যে জায়গাটা এখন জাপানের দখলে রয়েছে৷ কিন্তু ১২ বছর পর জাপানকে সেই জায়গা থেকে সরিয়ে দেবে ভারত৷ এমনটাই উঠে এসেছে এএইচবিসি রিপোর্টে৷

অন্যদিকে এশিয়ার আরও দেশের আর্থিক বৃদ্ধি মার্কিন অর্থনীতিকে টপকে যেতে পারে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে৷ ২০৩০ সালের মধ্যে চিন আমেরিকাকে টপকে যাবে৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির লিগ টেবিল তৈরি করলে দেখা যাবে প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা, দ্বিতীয়তে চিন এবং তৃতীয়তে জাপান৷ ১২ বছরের মধ্যে জাপানকে ছাপিয়ে তৃতীয় স্থানে চলে আসবে ভারত৷ আর আমেরিকাকে ছাপিয়ে প্রথম স্থান দখল করবে চিন৷

এখানে বলে রাখা ভালো চলতি আর্থিক বছরের প্রথম কোয়ার্টারে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি চিনকেও ছাপিয়ে যায়৷ এপ্রিল থেকে জুন এই তিন মাসে জিডিপি ছিল ৮.২ শতাংশ৷ অন্যদিকে এই একই সময়ে চিনের আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৭ শতাংশ৷ চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন ২০২২ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের দ্বিগুণ হয়ে যাবে৷ ভারতীয় অর্থনীতিতে জোয়ার আনবে উৎপাদন ও কৃষিক্ষেত্র৷ শুধুমাত্র এই দুই সেক্টর থেকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হবে৷

গত বছর আর্থিক বৃদ্ধিতে ফ্রান্সকে ছাপিয়ে যায় ভারত৷ ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছর ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছিল ২.৫৯ ট্রিলিয়ন ডলার৷ যার দরুণ ফ্রান্সকে হঠিয়ে বিশ্বের অর্থনীতিতে ষষ্ঠ স্থানে উঠে আসে ভারত৷ ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী চলতি বছর ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি দাঁড়াবে ৭.৪ শতাংশে৷ ২০১৯ এ সেটা বেড়ে হবে ৭.৮ শতাংশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।