ক্যানবেরা: কেএল রাহুলের অর্ধশতরান এবং শেষদিকে রবীন্দ্র জাদেজার বিধ্বংসী ক্যামিও ইনিংসে ভর করে প্রথম টি২০-তে অস্ট্রেলিয়াকে লড়াই করার মত টার্গেট ছুঁড়ে দিল টিম ইন্ডিয়া। মানুকা ওভালে এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান তুলল টিম ইন্ডিয়া। অর্থাৎ জয়ের জন্য ফিঞ্চদের লক্ষ্যমাত্রা ১৬২ রান।

মানুকা ওভালে এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে ওয়ান-ডে’র পর এদিন আন্তর্জাতিক টি২০-তে অভিষেক হয় টি নটরাজনের। শুরুটা এদিন মোটেই ভালো হয়নি মেন ইন ব্লু’র। মাত্র ৬ বলে ১ রান করে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মিচেল স্টার্কের ডেলিভারিতে অফ-স্ট্যাম্প ছিটকে যায় শিখর ধাওয়ানের।

এরপর মারমুখী হয়ে ওঠেন আরেক ওপেনার কেএল রাহুল। পাওয়ার -প্লে’তে ভারতের সংগ্রহ ৪২ রান। কিন্তু পাওয়ার-প্লে শেষ হওয়ার পরের ওভারেই ছন্দপতন। সোয়েপসনের ডেলিভারিতে ঠকে গিয়ে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন অধিনায়ক কোহলি (৯)। তৃতীয় উইকেটে ভালোই এগোচ্ছিল রাহুল-স্যামসন দুই দক্ষিণী উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের জুটি। কিন্তু ১১ তম ওভারে রাহুল অর্ধশতরান পূর্ণ করার পরের ওভারেই ফিরলেন স্যামসন। ২৫ বলে ২৩ রান করে আউট হন তিনি।

১১.১ ওভারে ভারতের রান তখন ৮৬। এরপর স্বল্প রানের ব্যবধানে আরও তিনটি উইকেট খুঁইয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। অর্ধশতরান পূর্ণ করে ৪০ বলে ব্যক্তিগত ৫১ রানে (৫টি চার, ১টি ছয়) ফেরেন রাহুল। মনীশ পান্ডে ফেরেন ২ রানে। পান্ডিয়ার সংগ্রহে ১৬ রান। সেসময় দেড়শো রানের গন্ডি অনেক দূর মনে হচ্ছিল টিম ইন্ডিয়ার জন্য। তখনই হঠাৎ জ্বলে ওঠেন রবীন্দ্র জাদেজা। ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে যোগ করে ১৬ বলে ৩৮ রান। সুন্দর ৭ রানে আউট হলেও  ৫টি চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ২৩ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ঝোড়ো ইনিংস খেলে জাদেজা দলকে পৌঁছে দেন ১৬১ রানে।

৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সফল বোলার মোসেস হেনরিকস। এছাড়া ২টি উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক। জাম্পা এবং সোয়েপসন নেন একটি করে উইকেট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।