নয়াদিল্লি: সংক্রমণ প্রতিদিন নতুন করে শুধুই বেড়ে চলেছে। মঙ্গলবার সকালে নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮০ জন।

জানা গিয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৬,৫৩৫টি নতুন সংক্রমণ হয়েছে যা একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের কিছুটা কম। মঙ্গলবার নতুন করে ১৪৬ জনের মৃত্যুতে মোট মৃতের সংখ্যা ৪,১৬৭ জন।

মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফের তথ্যে জানা গিয়েছে, ভারতে মোট সংক্রমিত ১,৪৫,৩৮০ জন। দেশে বর্তমানে করোনায় সক্রিয় ঘটনা ৮০,৭২২। এছাড়া ৬০,৪৯০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

সোমবার, চতুর্থদিনের জন্য নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছে ভারত। পাশাপাশি হয়েছে সর্বোচ্চ সংক্রমণ এদিনই, ভারত দেখেছে একদিনে ৬৯৭৭ নতুন সংক্রমণ।

সোমবার আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বের প্রথম দশটি দেশের মধ্যে জায়গা করে নেয় ভারত। ছাপিয়ে যায় ইরানকে। গত এক সপ্তাহে এমন একটাও দিন যায়নি যে দিন নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজারের নীচে নেমেছে! উল্টে পরিসংখ্যান বলছে, এক সপ্তাহে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা সুস্থ হওয়ার সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তামিলনাড়ু ও দিল্লিতেও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি বহু সংখ্য়ায় পজিটিভ ধরা পড়েছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ওডিশা, ঝাড়খণ্ডে।

সূত্রের খবর, বর্তমানে করোনা রোগী সনাক্ত করার জন্য যে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হচ্ছে, তা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আবারও র‍্যাপিড টেস্ট করা সম্ভব কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কি কি করা যেতে পারে চলতি সপ্তাহেই তা নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়েছে। মন্ত্রকের মতে, আগেরবারের মত খারাপ গুণমানের কিটের পরিবর্তে ভালো টেস্ট কিট ব্যবহার করে র‍্যাপিড টেস্ট করলে দ্রুত আক্রান্ত খুঁজে বের করে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে বলেই আশাবাদী কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

সংক্রমণ বাড়তে পারে, এমন এলাকায় যাতে কোনও ভাবেই শিথিলতা না দেখানো হয়, সে দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে। প্রতিটি রাজ্যকেই সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়েছে।

বিশ্বে অন্যান্য আক্রান্ত দেশের মধ্যে ভারত এখন ১০ নম্বরে। এতদিন পর্যন্ত ১১ নম্বরে ছিল ভারত। এবার তালিকায় আরও এক ধাপ উপরে উঠে এল। ইরানকেও পিছনে ফেলে দিল ভারত।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প