নয়াদিল্লি: ভারতের থেকে সাহায্য চাইল মরিশাস। দ্বীপরাষ্ট্রের কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ দুর্ঘটনায় প্রায় ৪০০০ টন তেল ছড়িয়ে পড়েছে সমুদ্রের জলে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের অংশীদার হিসেবে ৩০ টন প্রয়োজনীয় জিনিস পাঠাল ভারত।

রবিবার মরিশাস সরকারের তরফে অনুরোধ পেয়ে টেকনিক্যাল ইক্যুইপমেন্ট দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারক্র্যাফটে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এই ৩০ টন জিনিস, এমন ঘোষাণা করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এছাড়াও ইন্ডিয়ান অয়েল লিমিটেড সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে মরিশাস সরকারকে।

আরও পড়ুন: বরফের ৪০০ ফুট গভীরে রহস্যময় জাহাজ! গুগল আর্থের ছবিতে চাঞ্চল্য

জানা গিয়েছে, পানামার-রেজিস্টার্ড এমভি ওয়াকাশিও নামের ওই জাহাজটি এদিন মরিশাসের কাছে ডি’সিনির প্রবাল চাদরে উপর দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে তেল সমুদ্রের জলে মিশে গিয়েছে।

শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই ১০ সদস্যের একটি টেকনিক্যাল রেসপন্স টিম যেখানে ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডের বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন সদস্যদের ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। অপারেশনে সহায়তার হাত লাগিয়েছে ভারতের একটি দল।

আরও পড়ুন: সমুদ্রের তলায় আরও ১০ গুন এলাকা জুড়ে ছড়ানো তেল, স্যাটেলাইট ইমেজ

পরিবেশবিদরা বলছেন, ব্যাপক পরিবেশ দূষণ এবং সাগরের বাস্তুতন্ত্র ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনাথ পরিবেশ সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। জলে তেলের বিস্তার কমিয়ে আনতে প্রায় ৪০০ সমুদ্র বুম এবং আরও উন্নত মানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অনলাইন শিপ ট্র্যাকাররা দেখিয়েছেন, এমভি ওয়াকাশিও চিন থেকে ব্রাজিল যাচ্ছিল। সেই সময় মরিশাসের কাছে একটি বড় প্রবাল প্রাচীরে সঙ্গে ধাক্কা খায় জাহাজটি। যদিও পণ্যবাহী জাহাজ হওয়ায় বড়সড় দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। এছাড়াও দুর্ঘটনাগ্রস্ত জাহাজটিতে থাকা ক্রদের নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে এবং জাহাজটিকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রথম নয়, বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ‘মিশন সাগরে’র আওতায় অতিমারি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় জিনিস, আয়ুর্বেদিক ওষুধ এবং মেডিক্যাল আসিট্যান্স টিম পাঠিয়ে মরিশাসকে সাহায্য করেছিল ভারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।