নয়াদিল্লিঃ   যে সব জাহাজে উপকূলে অবতরণের প্লাটফর্ম বা এলপিডি থাকে তেমন সব জাহাজের বরাত রাষ্ট্রায়ত্ত এবং বেসরকারি উভয় কোম্পানিকেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।  কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বদলে ঠিক হয়েছে, এই ধরনের জাহাজ বানানোর সমস্ত বরাতই পাবে বেসরকারি নির্মাণ সংস্থা।  এক দশকের মধ্যে অন্তত চারটি ২০ হাজার টনের এলপিডিযুক্ত রণতরী বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের নৌবাহিনী।  সেইমতো ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক যে টেন্ডার ডাকে তাতে সাড়া দিয়ে আবেদন করে রিলায়েন্স ডিফেন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড (RDEL) এবং লারসেন অ্যান্ড টুবরো  (L&T)। দুটি কোম্পানিই এই অর্ডারের জন্যে আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।  তাই তারা এই নির্মাণের দরপত্রে সামনের সারিতে রয়েছে।  প্রসঙ্গত, L&T-র সঙ্গে প্রযুক্তিগত সমঝোতা রয়েছে স্পেনের কোম্পানি Navantia-র।  অন্যদিকে, ফ্রান্সের DCNS-এর সঙ্গে নির্মাণগত চুক্তি রয়েছে RDEL-এর।

ভারতের নৌবাহিনীর প্রস্তাবমতো এক একটি এলপিডিযুক্ত জাহাজের অন্তত ছটি করে ট্যাঙ্ক বহনের ক্ষমতা থাকতে হবে।  তাছাড়াও, ৪০টি ভারী সামরিক ট্রাক এবং ২০টি সাঁজোয়া গাড়ি যাতে ওই জাহাজের খোলে ঢুকতে পারে, সেটাও চায় তারা।  এ তো গেল সামরিক পরিবহনের কথা।  এর বাইরেও প্রতিটি জাহাজে ৯০০ সেনা, ৪৭০ জন নাবিক এবং স্থল ও নৌ বাহিনী মিলিয়ে যাতে ১৪৩০ জন উর্দিধারীর জায়গা হয় সেটাও মাথায় রাখতে বলা হয়েছে।

এই বছরের শেষেই এই এলপিডিযুক্ত জাহাজের জন্যে ২৬০ কোটি ডলারের চুক্তি সাঙ্গ করা যাবে বলে আশা করছে ভারতের নৌবাহিনী।   এই প্রথম ভারতেরই কোনও কোম্পানি এলপিডিযুক্ত রণতরী বানাতে চলেছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।