নয়াদিল্লি: মাঝে কিছুদিন আশার আলো জাগিয়ে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনার গ্রাফ। শনিবারের থেকে রবিবারের রিপোর্টে ফের বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনও আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে ৪ লক্ষের উপরে। মৃত্যুর সংখ্যা এদিনও ৪ হাজারের উপর। তবে শনিবারের চেযে রবিবারের রিপোর্টে মৃতের সংখ্যা অল্প কম।

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৭৩৮ জন। শনিবারের থেকে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার বেশি। শনিবার ৪ লক্ষ ১ হাজার ৭৮ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। করোনার বলি হয়েছিলেন ৪ হাজার ১৮৭ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৯২ জনের। এই নিয়ে পরপর ২ দিন দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৪ হাজারের উপরে রইল। মৃত্যুর সংখ্যা এদিন খানিকটা কমেছে। তবে এদিন দৈনিক সুস্থতার হার বেড়েছে। যেখানে শনিবার ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৬০৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন সেখানে রবিবার সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৪৪ জন। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ২২ লক্ষ ৯৬ হাজার ৪১৪ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ৬৪৮ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৮৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৪০৪ জন। দেশের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৩৬২ জনের। মোট ১৬ কোটি ৯৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৬৩ জনকে এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

কানপুর আইআইটির গাণিতিক সমীক্ষা এও বলছে, মহারাষ্ট্র এখন সংক্রমণের শীর্ষে অবস্থান করছে। এবার সেই রাজ্যে ধীরে ধীরে করোনার প্রকোপ কমতে শুরু করবে। এছাড়া উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, গুজরাট ও পশ্চিমবঙ্গও করোনা আক্রান্তের হিসাবের নিরিখে সর্বোচ্চ সীমায় রয়েছে। এবার এই রাজ্যগুলিতেও আক্রান্তের সংখ্যা কমবে। কুম্ভ মেলা বা নির্বাচনের কারণেই কি করোনার এমন বাড়বাড়ন্ত? এই প্রশ্ন উত্তরে আইআইটির প্রফেসর মণীন্দ্র আগারওয়াল বলেছেন, মহারাষ্ট্র ও দিল্লিতে করোনার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। এই রাজ্যগুলিতে নির্বাচনী মিছিল বা কুম্ভ হয়নি। তাই এই সম্ভাবনার কথা চূড়ান্ত হিসেবে ধরা যায় না। আইআইটির সমীক্ষা অনসারে, উত্তর প্রদেশ উত্তর প্রদেশে দৈনিক ৩৫ হাজার, দিল্লিতে দৈনিক ৩০ হাজার, পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক ১১ হাজার, রাজস্থানে দৈনিক ১০ হাজার ও বিহারে দৈনিক ৫ হাজার আক্রান্ত হতে পারে। এই সংখ্যাকে রাজ্যগুলির আক্রান্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.