নয়াদিল্লি: নিয়ন্ত্রণ করেও লাগাম টানা যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আসছে না কোনওভাবেই। বৃহস্পতিবারই জানা গিয়েছিল দৈনিক করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরিয়েছে। এদিন সেই সংখ্যা আরও বাড়ল।

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৩০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৬৩ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯২০ জনে। অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ২৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৬১৬। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ২৭৯ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থতার সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ১৫৯। করোনাকে ঠেকাতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে দেশের ১৩ কোটি ৫৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪২০ জনকে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি। দেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভে যুবক-যুবতিরাও অনেক বেশি সংখ্যায় সংক্রমিত হচ্ছে। সেকেন্ড ওয়েভে দেখা যাচ্ছে আক্রান্তদের ৬০ শতাংশের বয়সই ৪৫ বছরের নীচে। তবে এই বয়সের মানুষের মৃতের সংখ্যা কম। কোভিড-১৯-এর দ্বিতীয় ধাক্কায় দেখা যাচ্ছে, যারা মারা যাচ্ছে তাঁদের মধ্যে ৫৫ শতাংশের বয়সই ৬০ বছরের ওপর। প্রথম ধাক্কার মতোই সেকেন্ড ওয়েভেও দেশে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্য হল মহারাষ্ট্র। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিপোর্ট বলছে, সে রাজ্যে আক্রান্তদের মধ্যে মোট ৪৮ শতাংশেরই বয়স ৪০ এর ওপর। অন্যদিকে মার্চের ৫ তারিখ থেকে ৫ এপ্রিল অবধি যতজন আক্রান্ত হয়েছে তাঁর ৪৭ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ৪৫ এর মধ্যে। সেকেন্ড ওয়েভে লক্ষণীয় ব্যাপার হল, সংক্রামিত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেক বেশি সংখ্যায় রয়েছে তরুণেরা। আগেরবার এমনটা ছিল না, আগেরবার বয়স্ক ব্যক্তিরা অনেক বেশি সংখ্যায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন, এবার তরুণদের মধ্যে সেই প্রবণতা বেশি।

এদিকে, মে থেকে ১৮ বছর হলেই করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। আগামিকাল থেকে শুরু হবে রেজিস্ট্রেশন এখন ৪৫ ঊর্ধ্বদের জন্য করোনা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা সারা দেশে চালু আছে। সেকেন্ড ওয়েভে যেহেতু যুব সমাজের মধ্য়ে সংক্রমণ বেশি তাই সেই জায়গা থেকে ১৮ বছর হলেই করোনার টিকা দেওয়ার এই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.