নয়াদিল্লি: করোনা সংক্রমণে কোনওভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না। ক্রমশই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আড়াই লক্ষেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে হাজার।

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৫০০ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫০১ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতে ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০৯ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। মৃতের সংখ্যা পৌঁছল ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৫০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪২৩ জন। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯ হাজার ৬৪৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১৮ লক্ষ ১ হাজার ৩১৬।

করোনা সংক্রমণ রোধে শুরু হয়েছে টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া। এখনও পর্যন্ত দেশের মোট ১২ কোটি ২৬ লক্ষ ২২ হাজার ৫৯০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এখনও টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু তাতেও সংক্রমণে লাগাম টানা যাচ্ছে না। ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে গোটা দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার জন। দিল্লি থেকে ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু তারপরই আচমকা বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। মাস দুয়েকের মধ্যেই তা পৌঁছে যায় দৈনিক ২ লক্ষ আক্রান্তে। মহারাষ্ট্রে শনিবার ৬৭ হাজার ১২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনের হিসেবে এই সংখ্যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। শনিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী মৃত্যু হয়েছে ৪১৯ জনের। রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষে গিয়ে পৌঁছেছে। দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৪ হাজার জন। আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়েছে।

তার উপর হাসপাতালগুলিতেও বেড ও মেডিক্যাল সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা ভাবাচ্ছে সরকারকে। সংক্রমণ রোধে মহারাষ্ট্রে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। দিল্লিতে জারি হয়েছে কার্ফু। ই-পাস ছাড়া রাস্তায় বের হওয়ার ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এছাড়া আরও কয়েকটি রাজ্যে কড়া বন্দোবস্ত নেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.