নয়াদিল্লি: দিন কয়েক স্বস্তি দিলেও আবার দেশে বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমার ফলে আশার আলো দেখেছিল দেশবাসী। কিন্তু বৃহস্পতিবার আবার বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। যা আগের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে দিল। তবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থের সংখ্যা এদিন বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ লক্ষ ১২ হাজার ২৬২ জন। যা পূর্বের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে। একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯৮০ জনের। গত শনিবার ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী রেকর্ড গড়েছিল। তারপরে সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা কমতে দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার শনিবারে রেকর্ডও ভেঙে দিল।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছে ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ১১৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট সুস্থ হয়েছে ১ কোটি ৭২ লক্ষ ৮০ হাজার ৮৪৪ জন। সুতরাং মোট সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৫ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৯৮ জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯৮০ জনের।এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ২৩ হাজার ১ শত ৬৮ জন।

আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্ত হয়েছে ৫৭ হাজার ৬৪০ জন। তারপরেই রয়েছে কর্ণাটক। সেখানে আক্রান্ত হয়েছে ৫০ হাজার ১১২ হন। কেরালায় আক্রান্ত হয়েছে ৪১ হাজার ৯৫৩ জন। উত্তরপ্রদেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ১১১ জন। তারপরেই আছে তামিলনাড়ু যেখানে আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩১০ জন। এই পাঁচটি রাজ্য থেকে প্রায় ৪৯.৫২ শতাংশ নতুন মামলার খবর পাওয়া গেছে, তারমধ্যে মহারাষ্ট্রেই আক্রান্ত হয়েছে ১৩.৯৮ শতাংশ।

করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই আরও এক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন এইমস প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই মারণ ভাইরাস করোনা যেভাবে নিজের বৈশিষ্ট পাল্টাচ্ছে তাতে ভারত দ্রুত করোনা ভাইরাসের তৃতীয় তরঙ্গের সম্মুখীন হবে। কিছু রাজ্য নাইট কারফিউ, সপ্তাহান্তে লকডাউন ঘোষণা করেছে। কিন্তু এতে কোনও লাভ হবে না বলে মনে করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.