বিশেষ প্রতিবেদন: প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয় ভারতের। দু দেশের মধ্যে হয়েছে চারটি যুদ্ধ৷ প্রতি ক্ষেত্রে নাস্তানাবুদ হওয়ার পর বিশেষ করে ১৯৭১ এর যুদ্ধে লজ্জাজনক আত্মসমর্পণের পর ছায়াযুদ্ধের কৌশল নিয়েছে পাকিস্তান৷ সেই পথ ধরেই বহুবার পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গিরা টার্গেট করেছে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের। একইসঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরেও অনেক সন্ত্রাস ছড়িয়েছে পাকিস্তানি জঙ্গিরা। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের ‘নয়নের মণি’ লাহোরের উপকণ্ঠে পোঁছে গিয়েছিল ভারতীয় সেনা৷ আর ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা দখল করেছিল ভারত৷ এরপর আন্তর্জাতিক মঞ্চে কূটনৈতিকভাবে ইসলামাবাদকে পরাস্ত করাই নয়াদিল্লির উদ্দেশ্য। তারপর থেকে বারবার শান্তির আদর্শকেই সামনে রেখে এগিয়েছে ভারত। তবে এখন সোশ্যাল সাইটে যুদ্ধের আবহাওয়া রীতিমতো উত্তপ্ত৷ কমেন্ট পালটা কমেন্টের লড়াই চলছে৷

6

উরি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলার পর অনেকটা বদলে গিয়েছে দিল্লির সেই ‘শান্তরূপ’৷ পাঠানকোটের পর উরি হামলা এবং কাশ্মীরে চলা বিভিন্ন সন্ত্রাসের বদলা চাইছেন ভারতবাসী। সবার মুখেই একটা কথা, ‘অনেক হয়েছে, আর সহ্য নয়’।

7

সারদা, নারদ বা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যারা ঝড় তুলতেন চায়ের আড্ডায়। তাদের এখন মুখ্য আলোচ্য বিষয় ‘বদলা’। উপযুক্ত জবাব দিতে হবে পাকিস্তানকে। এই নিয়েই চর্চা চলছে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সব আড্ডার ঠেকে। রোজ বিকেলে ফুচকা খেতে যাওয়া মামনিরা এবং গৃহবধূরাও এখন সাওয়াল করছেন যুদ্ধের পক্ষে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও উপচে পড়ছে পাক বিরোধী পোস্ট। সকলেই এবার চাইছে একটা সমুচিত জবাব দেওয়া হোক পাকিস্তানকে। পাশাপাশি উঠে আসছে যুদ্ধ হলে কী কী উপায়ে ইসলামাবাদকে শায়েস্তা করতে পারে নয়াদিল্লি৷

4

পাকিস্তানকে যুদ্ধের মাধ্যমে জবাব দেওয়া নিয়ে এখনও সেনাবাহিনীকে সবুজ সংকেত দেয়নি নয়াদিল্লি। যদিও সেনা প্রধানদের নিয়ে একাধিকবার বৈঠকে করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। তবে, সামরিক অস্ত্রে না হলেও কূটনৈতিক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় জারি থাকছে ভারত-পাক যুদ্ধ।