আমদাবাদ: এভাবেও ফিরে আসা যায়! চিপকে সিরিজের প্রথম টেস্ট হেরে পরের তিনটি টেস্ট জিতে সিরিজ পকেটে করেছে ভারত৷ শনিবার শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনেই ইংরেজদের লড়াই শেষ করে ম্যাচ ও সিরিজ জিতে নিয়েছে কোহলি অ্যান্ড কোং৷ সিরিজ হারের জন্য ইংল্যান্ড প্লোয়ারদের একহাত নেওয়ার পাশাপাশি ‘বিরাটবন্দনা’ শোনা গেল প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হোসেনের গলায়৷

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার টেস্ট সিরিজ ৩-১ জিতে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের যোগ্যতাঅর্জন করেছে ভারত৷ শনিবার মোতেরায় সিরিজের শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনে ইংল্যান্ডকে ইনিংস ও ২৫ রানে হারিয়ে টেস্ট ও সিরিজ জিতে নেয় কোহলি অ্যান্ড কোং৷ ভারতের এই জয়ের পর ভারতীয় স্পিনারদের প্রশংসার পাশাপাশি বিরাট কোহলির ছেলেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক৷

ডেইলি মেইলে নিজের কলামে হোসেন লেখেন, ‘সিরিজে পাঁচবার ইংল্যান্ড ২০০ রানের গণ্ডি পেরতে পারেনি৷ রুটরা একবার ভদ্রস্থ স্কোর করেছিল জেমস অ্যান্ডারসনের রিভার্স সুইপের দৌলতে৷ এটা থেকে প্রমাণিত এই পরিবেশে তাদের ব্যাটিং দুরবস্থা৷ ভারতীয় দল এক কথায় অপ্রতিরোধ্য৷ ব্যাটিং এবং তাদের স্পিনাররা অন্য লেগের৷’

জো রুটদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ২২৭ রানে হারের পর দুর্দান্ত কামব্যাক করে কোহলি অ্যান্ড কোং৷ চিপকেই দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৩১৭ রানে হারায় ভারত৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এটাই ভারতের সবচেয়ে বেশি রানে টেস্ট জয়৷ তারপর আমদাবাদে পিঙ্ক বল টেস্টে দু’দিনেরও কম সময়ে ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ১০ উইকেটে জয় তুলে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল ভার৷ শনিবার শেষ টেস্টে ইনিংস ও ২৫ রানে জিতে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি প্রথম আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভারত৷

পিঙ্ক বল টেস্ট হেরে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছিল ইংল্যান্ড৷ কিন্তু শেষ সিরিজ ড্র করার সুযোগ ছিল রুটদের সামনে৷ ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ক্যাপ্টেন রুট ছাড়া কোনও ব্যাটসম্যানই তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী খেলতে পারেননি৷ হোসেনের মতে, ‘সিরিজ হারের পর আমাদের ক্রিকেটাদের প্রচুর অজুহাত রয়েছে, যেমন এটা দেশের হয়ে খেলা, রোটেশন পদ্ধতি, পিচ এবং ভারতের মাটিতে খেলা৷ কিন্তু প্লেয়াদের দায়িত্ব নিতে হবে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।