নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে লাগামছাড়া সংক্রমণ। স্থগিত হয়ে গেল ইন্ডিয়া ওপেন সুপার ৫০০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট। আগামী ১১ থেকে ১৬ মে দেশের রাজধানী শহর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা নির্ণায়ক এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট। দর্শকশূন্য পরিমন্ডল এবং জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনীতে গোটা টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দিল্লি তথা ভারতবর্ষ জুড়ে ফের করোনার প্রকোপে এই টুর্নামেন্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থা এবং ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া।

বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থার সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠকের পর সোমবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিএআই। টোকিও অলিম্পিক শুরু আগে আগামী ১৫ জুন প্রকাশিত র‍্যাংকিং’য়ের উপর ভিত্তি করে টোকিও অলিম্পিকের ছাড়পত্র পাবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শাটলাররা। তার আগে ১৩ জুন যোগ্যতা অর্জন পর্বের বিভিন্ন টুর্নামেন্ট শেষ করার ডেডলাইন। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কবে অনুষ্ঠিত হবে এই সুপার ৫০০ টুর্নামেন্ট, তা এখনও জানা যায়নি।

ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার সাধারণ সচিব অজয় সিংহানিয়া সোমবার এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে দেশজুড়ে করোনার জেরে সমস্ত প্রতিবন্ধকতার কথা মাথায় রেখে ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার কাছে টুর্নামেন্ট স্থগিত রাখা ছাড়া আর কোনও বিকল্প পথ খোলা নেই।’ এর আগে ২০২০ ইন্ডিয়া ওপেন বাতিল হয়ে গিয়েছিল করোনার জেরে। টানা দ্বিতীয়বার টুর্নামেন্টের উপর স্থগিতাদেশ নেমে আসায় দুঃখপ্রকাশ করেছে বিএআই। তবে বিডব্লুএফে’র সঙ্গে আলোচনা করে সঠিক সময়ে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পথ খোলা রেখেছে দেশের ব্যাডমিন্টনের গভর্নিং বডি।

উল্লেখ্য, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সন্ত্রস্ত গোটা দেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১০ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। যা এখনও অবধি দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় দেশজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১,৬১৯ জনের। আর রবিবার দেশজুড়ে সর্বাধিক আক্রান্তের রিপোর্ট মিলেছে দিল্লি থেকেই। রাজধানীতে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে মারণ ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছেন ২৫,৪৬২ জন।

আর লাগামহীন সংক্রমণে রাশ টানতে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লিজুড়ে আগামী ৬ দিন লকডাউন ঘোষণা করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.