India dropped down to 4th on WTC

আমদাবাদ: দু’ বছরের পরিশ্রমের ফল৷ আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ওঠা থেকে মাত্র এক কদম দূরে কোহলি অ্যান্ড কোং৷ বৃহস্পতিবার থেকে আমদাবাদে শুরু হচ্ছে ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ তথা শেষ টেস্ট৷ এই টেস্ট ড্র করতে পারলেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত৷ সেক্ষেত্রে ১৮ জুন ফাইনালে ভারতের সামনে থাকবে নিউজিল্যান্ড৷

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর ভারতের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন আরও মজবুত হয়৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে চার টেস্টের সিরিজ শুরুর আগে ফাইনালে উঠতে ভারতের অংক ছিল ২-০, ২-১, ৩-০, ৩-১ অথবা ৪-০ সিরিজ জিততে হবে কোহলিদের৷ প্রথম টেস্ট হারায় ৩-০ বা ৪-০ সিরিজয়ের সম্ভাবনা নেই বিরাটদের৷ কিন্তু পরের দু’টি টেস্ট জেতায় ২-১ এগিয়ে থেকে সিরিজের শেষ টেস্টে নামছে কোহলি অ্যান্ড কোং৷ এই ব্যবধানেও সিরিজ শেষ করলে ফাইনালে পৌঁছে যাবে কোহলিরা৷ তার জন্য আমদাবাদে সিরিজের শেষ টেস্ট ড্র করতে হবে বিরাটদের৷ অথবা জিতে সিরিজ ৩-১ করে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করতে পারে টিম ইন্ডিয়া৷

চিপকে সিরিজের প্রথম টেস্টে ২২৭ রানে হারের পর ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ফিকে হয়েছিল বিরাটদের৷ কিন্তু দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট বড় ব্যবধানে জিতে ফের ফাইনালে ওঠার ফ্রন্ট রেসে চলে আসে কোহলিবিগ্রেড৷ চিপকে দ্বিতীয় টেস্ট ৩১৭ রানে এবং আমদাবাদে তৃতীয় তথা পিঙ্ক বল টেস্ট ১০ উইকেটে জেতে ভারত৷ অর্থাৎ মোতেরায় শেষ টেস্ট ড্র করতে পারলেই প্রথম আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে টিম ইন্ডিয়া৷

পিঙ্ক বল টেস্ট হেরে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে ইংল্যান্ড৷ সুতরাং ভারতের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট জিতলেও ফাইনালে যাবে না রুটবাহিনী৷ তবে সেক্ষেত্রে বিরাটদের লর্ডন অভিযানও মাটি করে দেবেন রুটরা৷ কারণ শেষ টেস্ট জিতে সিরিজ ড্র করলে ভারত ও ইংল্যান্ড কেউ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারবে না৷ সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালে পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়া৷ যারা কোভিড-১৯ কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বাতিল কারায় প্রথম দল হিসেবে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে নিউজিল্যান্ড৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।