কলকাতা: সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইকে পর ভারত আজ সামরিক শক্তিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সমান। কলকাতায় এনএসজি ভবনের উদ্বোধনে এসে এই কথাই বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

রবিবার ওই ভবনে এসে তিনি বলেন, ‘এতদিন পর্যন্ত কেবল দুটি দেশেরই ক্ষমতা ছিল প্রতিবেশী দেশে ঢুকে হামলা চালানোর। আমেরিকা আর ইজরায়েল। এরা শত্রুদেশে ঢুকে হত্যা করেছে। আমার বিশ্বাস ভারতও সেই তালিকায় প্রবেশ করেছে।

এদিন রাজারহাটে এনএসজি-র স্পেশাল কম্পোজিট গ্রুপ কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেন তিনি। সকাল ১১ টায় কলকাতায় পা দেন তিনি। সেখান থেকেই সোজা চলে যান নিউ টাউনে ওই ভবনের উদ্বোধনে।

এদিন তিনি আরও বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে এনএসজি-র তরফ থেকে সরকারের কাছে করা সব আবেদন পূরণ করা হবে। এনএসজি-কে একটা সম্পূর্ণ কমান্ডো ফোর্সে রূপান্তরিত করা হবে।’ তাঁর কথায়, বিশ্বের অন্যান্য যে কোনও ফোর্সের থেকে দু কদম এগিয়ে থাকবে এনএসজি।

অমিত শাহের শহিদ মিনারের সভায় যোগ দিতে বিজেপি কর্মীরা এসে পৌঁছেছেন। হাওড়ায় ট্রেন ও সড়ক পথে বিভিন্ন জেলা থেকে আসছেন কর্মী সমর্থকেরা। দেশ জোড়া নাগরিকত্ব আন্দোলনের মধ্যেই আজ রবিবার কলকাতা সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন দুপুরে কলকাতার শহীদ মিনার ময়দানের জনসভায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সিএএ নিয়ে ব্যাখ্যা করার কথা রয়েছে তার।

বিমানবন্দরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে বামেরা। বিমানবন্দরের সামনে বিক্ষোভ-স্লোগান বামেদের। ‘অমিত শাহ গো ব্যাক’ স্লোগানে মুখরিত বিমানবন্দর চত্বর। পার্ক সার্কাসেও অমিত শাহের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে।

বাম নেতা মহম্মদ সেলিম আগে জানিয়েছিলেন, ”দিল্লিতে গণহত্যার রক্তমাখা হাত নিয়ে অমিত শাহ কলকাতায় পা রাখলে রাজ্য সরকার লাল কার্পেট পেতে হয়তো স্বাগত জানাবে। কিন্তু আমরা বিক্ষোভ দেখাব।

শহিদ মিনারে অমিত শাহ পৌঁছনোর আগেই এসপ্লানেড চত্বরে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করছে বিক্ষোভকারীরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ