মিউনিখ: প্রথম ম্যাচে দুরন্ত জয়ের পর ইউরোপ ট্যুরের দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে আটকে গেল ভারতীয় হকি দল। দ্বিতীয় ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করল মেন ইন ব্লু। ভারতের হয়ে এদিন গোল করেন জারমানপ্রীত সিং। জার্মানির হয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান মার্টি হ্যানার।

চার ম্যাচের ট্যুরের প্রথম ম্যাচে আয়োজকদের হাফডজন গোল দিয়ে বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়েই দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু করেছিল মেন ইন ব্লু। বিশ্বের ছ’নম্বর জার্মানির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণের পথ বেছে নেয় হরমনপ্রীত অ্যান্ড কোম্পানি। চতুর্থ মিনিটে পেনাল্টি কর্নারও আদায় করে নেয় তারা। স্ল্যাপ শটে প্রথম পেনাল্টি কর্নার থেকেই ফায়দা তোলেন ডিফেন্ডার জারমানপ্রীত সিং। ম্যাচে এগিয়ে যায় ভারত।

দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও আধিপত্য নিয়েই খেলে ভারতীয় দল। প্রথম গোলের আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করে বল পজেশন কিংবা সুযোগ তৈরি সবেতেই জার্মানিকে টেক্কা দিতে থাকে ভারতীয়রা। ডিফেন্ডাররাও দারুণভাবে নিজেদের ভূমিকা পালন করতে থাকায় জার্মানি সেভাবে আক্রমণে হুল ফোটাতে পারছিল না। তবে দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষদিক থেকে ম্যান টু ম্যান ট্যাকলে গিয়ে ম্যাচে ফেরার বার্তা দেয় জার্মানি। ফলও মিলে যায় হাতেনাতে।

ট্যাকটিকস বদলে দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষে একের পর এক পেনাল্টি কর্নারে ভারতীয় রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে জার্মানি। দ্বিতীয়দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে আটকে গেল ভারত প্রয়াসে সমতা ফেরান মার্টিন হ্যানার। তৃতীয় কোয়ার্টারে জার্মান আক্রমণের সামনে মজবুত ছিল ভারতীয় রক্ষণ। আর চতুর্থ তথা অন্তিম কোয়ার্টারে বেশ কিছু উত্তেজক মুহূর্তে সৃষ্টি হলেও স্কোরলাইন অপরিবর্তিতই রয়ে যায়। ম্যাচ শেষে ভারতের কোচ গ্রাহাম রেড বলেন, ‘এই ম্যাচটা ছেলেদের জন্য দুর্দান্ত একটা অভিজ্ঞতা। খুব কঠিন ম্যাচ তবে দল দারুণ লড়াই করেছে। দু’টো দলই সুযোগ তৈরি করেছে। আমার মনে হয় আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে এই ম্যাচ থেকে।’

উল্লেখ্য, গত সোমবার জার্মানির ঘরের মাটিতে জার্মানিকে ৬-১ গোলে হারিয়ে লকডাউন পরবর্তী সময় আন্তর্জাতিক সার্কিটে প্রত্যাবর্তন করেছিল ভারতীয় হকি দল। ভারতের হয়ে সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেন বিবেক সাগর প্রসাদ। একটি করে গোল করেন নীলকান্ত শর্মা, ললিত কুমার উপাধ্যায়, আকাশদীপ সিং এবং অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।