নয়াদিল্লি: কাশ্মীর থেকে স্পেশাল স্টেটাস তুলে নেওয়ার পরই আক্রমণাত্ম আচরণ শুরু করেছে পাকিস্তান। নানা ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। সব দেশ ভারতের পাশে দাঁড়ানোয় চিনের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু এর মধ্যে্ চিনের সঙ্গে বৈঠক করতে বসে গেল ভারত।

তিন দিনের চিন সফরে সোমবারই বেজিং-এ পৌঁছেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ইতিমধ্যেই চিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কুইশানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

এ বছরের শেষের দিকে ভারত সফরে এসে নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক করার কথা চিনা প্রেসিডেন্টের। বিদেশমন্ত্রীর এই চিন সফরের লক্ষ্য হল চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংফিংয়ের ভারত সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা।

জয়শঙ্করের সফরসূচি পূর্ব নির্ধারিত হলেও জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা নিয়ে চিনের অবস্থান সুস্পষ্ট করতে এই সফরের তাঁর একাধিক বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

কৌশলী চালে ইসলামাবাদের পাশা উলটে দিতেই তৈরি নয়াদিল্লি৷ তাই চিনকে নিজেদের পাশে পেতে বেজিং যাত্রা করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট জি জিংপিনের মধ্যে দ্বিতীয় সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়ে কথা বলতেই মূলত তাঁর এই সফর৷

তবে আন্তর্জাতিক মহলের মতে জয়শঙ্করের এই চিন সফরে বেশ চাপে পাকিস্তান৷ এই সফরের আগে চিনকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু বলে সম্বোধন করে নয়াদিল্লি৷ ফলে ভারত ও চিনের মধ্যে এক নতুন সম্পর্কের রসায়নের ইঙ্গিত দেখছে আন্তর্জাতিক মহল৷ এতেই বেশ কিছুটা চাপে পাকিস্তান৷ বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবিশ কুমার রবিবার বলেন, সব ক্ষেত্রে চিন ভারতের অন্যতম বন্ধু৷ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতেই বিদেশমন্ত্রীর চিন সফর বলে উল্লেখ করেন তিনি৷

তবে চিনের পক্ষ থেকে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের পদক্ষেপকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হয়নি৷ তবে এর পালটা দিয়ে নয়াদিল্লি জানায়, কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে যেমন ভারত নাক গলায় না, ভারতও আশা করবে, অন্য কোনও তৃতীয় শক্তি যেন ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক না গলায়৷