নয়াদিল্লি: মহারাষ্ট্র সরকার কয়েকদিন আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, করোনা ভাইরাসের তৃতীয় তরঙ্গ দ্রুত ভারতে আছড়ে পড়বে। এবার সেই আশঙ্কাকে সিলমোহর দিল অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি করোনা ভাইরাসের উত্তরোত্তর বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই মারণ ভাইরাস করোনা যেভাবে নিজের বৈশিষ্ট পাল্টাচ্ছে তাতে ভারত দ্রুত করোনা ভাইরাসের তৃতীয় তরঙ্গের সম্মুখীন হবে। কিছু রাজ্য নাইট কারফিউ, সপ্তাহান্তে লকডাউন ঘোষণা করেছে। যাকে তিনি একেবারেই প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তিনি করোনা ভাইরাসের শৃঙ্খল ভাঙতে কিছু সময়ের জন্যে লকডাউনের কথা বলেছেন। এদিন এইমস প্রধান তিনটি বিষয় লক্ষ্য রাখার কথা বলেন। প্রথমটি হ’ল হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। দ্বিতীয়, দ্রুত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে হবে। তৃতীয়, টিকাকরণ। আমাদের সংক্রমণের চেইন ভাঙতে হবে। যদি আমরা মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ হ্রাস করতে পারি তবে সেটা সম্ভব। তার পরেই আক্রান্তের সংখ্যা কমানো সম্ভব।

এইমস প্রধান বলেন, যুক্তরাজ্যের মত রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী অঞ্চলভিত্তিক লকডাউন করতে পারি। যারা প্রশাসনে আছে তাদের এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দিন মজুর, শ্রমিকরা আছেন। জরুরিভিত্তিক পরিষেবা বজায় রাখতে হবে। তবে লকডাউন যেন কঠোরভাবে পালন করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমরা সম্ভবত তৃতীয় তরঙ্গ দেখতে পাবো। একটা স্বস্তির বয়স তখন আমাদের টিকাকরণ প্রায় সম্পূর্ণ হবে। হয়ত দ্বিতীয় তরঙ্গের মত বৃহৎ হবে না। খুব সহজেই পরিচালনা করা যাবে। তিনি আরও বলেন ভারতে যে ডবল মিউট্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে তা গতবারের থেকে অনেক মারাত্মক।

ভাইরাসটি এতটাই দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে যে , শেষ বারের তুলনায় কোরোনাগ্রাফ অনেকটাই ওপরে উঠেছে। করোনা শেষ হয়ে গিয়েছে এই আচরণও তার জন্যে কিছুটা দায়ী। ভাইরাসটিরও কিছু পরিবর্তন এসেছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন। গত সপ্তাহে যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল সংক্রমণ, গত কয়েকদিনের সংখ্যা তার চেয়ে কিছুটা কম। তবে সোমবারের তুলনায় একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা অল্প বেড়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.