নয়াদিল্লি: শিল্প ক্ষেত্রে চিনের ক্ষতিতে ভারতের লাভের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ৷ ১৫-৩০ শতাংশ উৎপাদন খরচ কমাতে অ্যাপেল চিন থেকে উৎপাদন ক্ষেত্রটি সরিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আনার কথা ভাবছে ৷ কারণ সাপ্লাই চেন পুনর্গঠন করতে এমন বিকল্পের কথা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ নিকি এশিয়ান রিভিউ তেমনই রিপোর্ট দিচ্ছে৷ আর তেমনটা হলে ভারতের কাছে একটা বড় সুযোগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে৷

চিন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে অ্যাপেল চিন থেকে উৎপাদন সরানোর কথা ভেবেছে তবে এই বিষয়ে কোনও সমাধানের রাস্তা দেখা দিলেও সংস্থাটি এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরবে না বলেই ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে৷ আই ফোন নির্মাতা সংস্থাটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ তারা অনুভব করছে চিনে উৎপাদনে আপাতত বেশ ঝুঁকি রয়েছে এবং তা ভবিষ্যতে বাড়তে পারে৷

এরফলে এখন উৎপাদনের বিকল্প স্থান হিসেবে সংস্থাটি যেসব জায়গাগুলিকে মাথায় রেখেছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল ভারত ৷ ওই সব দেশগুলির মধ্যে রয়েছে – ভারত মেক্সিকো, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া৷ সেক্ষেত্রে ভারত এবং ভিয়েতনামের পাল্লা অন্যদের তুলনা এগিয়ে রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনকে রীতিমতো চাপে রেখেছে আরও ৩০০বিলিয়ন মূল্যের চিনা পণ্যের উপর শুল্ক বসাবে বলে৷ এদিকে চিন হল অ্যাপেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র ৷ ৩০ জনের একটি দল অ্যাপেল-এর মূলধনী খরচ নিয়ে সমীক্ষা করছে যাতে উৎপাদন পরিকল্পনা এবং সরকারের উৎসাহ ভাতা ইত্যাদি নিয়েও আলোচনা চলছে ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।