নয়াদিল্লি : কয়লা থেকে বিদ্যুৎ তৈরি প্রয়োজন। অন্যদিকে এই কয়লা প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনের জেরে খারাপ হচ্ছে পরিবেশ। কোনটাকে আগে রাখবে সরকার। দুটোই প্রয়োজনীয়। তবে একটির ভালো ফল সাময়িক, অপরটির দীর্ঘমেয়াদি। সাময়িক ভালো ফলকেই বেছে নিয়ে নতুন দুটি কয়লা প্ল্যান্ট তৈরি করছে ভারত যেখান থেকে কয়লা তৈরি করা যাবে।

দেখা যাচ্ছে ভারত টানা দুই বছর কয়লা থেকে প্রয়োজনের থেকে কম বিদ্যুৎ তৈরি করেছে। তাই সরকার চাইছে এই ঘাটতি মেটাতে। ঘাটতি মেটাতে প্রয়োজন কয়লার। তা আসবে কোথা থেকে? উপায় খুঁজে নিয়ে তাই দুটি নতুন কয়লা প্ল্যান্ট তৈরির ভাবনা করেছে কেন্দ্র। এই কয়লা থেকে বিদ্যুৎ বেশি তৈরি হলে প্রকৃতির বেশি ক্ষতি হবে। তাই বিকল্প শক্তির কথা বলা হচ্ছে। বেশি আলোচনায় সৌর শক্তি। কিন্তু আপতত বিদ্যুতের সমস্যা মেটাতে কয়লা থেকেই শক্তি উৎপাদনকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনা হল, কয়লার চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষিত করে তোলার ভাবনা করেছে কেন্দ্র। সেই কাজেও অবশ্য বেশ দেরী হচ্ছে। জানা গিয়েছে ভারত সরকার প্রাথমিকভাবে বলেছিল যে সমস্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সালফার ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করে সেগুলির চিমনিতে যেন দ্রুত ‘ডিসালফারাইজেশন’-এর ব্যবস্থা করে। কিন্তু সেগুলি কোনওভাবেই এই কাজ করে উঠতে পারেনি।

বছরের পর বছর কেটেছে, একের পর এক ডেডলাইন পেরিয়েছে কিন্তু সেই কাজ হয়নি। ২০১৭ ডেডলাইন পিছিয়ে পিছিয়ে গত পয়লা এপ্রিল করা হল ২০২২ সাল। পরিবেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, যে সমস্ত প্ল্যান্টগুলি জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলের বেশি কাছে অবস্থান করছে তাদের এই কাজ ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করতে হবে। দিল্লির সমস্ত প্ল্যান্টের জন্য ডেডলাইন ২০২২। আর যে প্ল্যান্টগুলি একটু দূরে রয়েছে তাঁদেরকে এই কাজ শেষ করতে হবে ২০২৫ সালের মধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি সংস্থা এনটিপিসি থেকে শুরু করে আম্বানি, আদানির মত বেসরকারি পাওয়ার প্ল্যান্টগুলিকেও এই বিষয়ে দ্রুত কাজ করার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু জানা গিয়েছে অতিরিক্ত খরচ বহনের বাহানায় এই কাজ দিনের পর দিন ফেলে রেখে দিয়েছে। প্রত্যেকটি পাওয়ার প্ল্যান্টকে তাদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে। কারণ পরিবেশ মন্ত্রক জানিয়েছে , প্ল্যান্টের অবস্থানের ভিত্তিতে এর ডেডলাইন ঠিক করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী তিনটি আলাদা ক্যাটাগরি করা হচ্ছে। সেভাবেই দেওয়া হবে কাজের সময়সীমা। এই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে টাস্ক ফোর্স। এই তথ্যের ভিত্তিতেই হবে কাজ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.