কোহিমা ও নয়াদিল্লি: উত্তর পূর্বাঞ্চলের মাটিকে বারবার রক্তাক্ত করা এনএসসিএন(কে) গোষ্ঠীকে প্রবল ধাক্কা দিতে চায় সরকার৷ সেই লক্ষ্যে মায়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চালানো হবে৷ সূত্রের খবর, নাগা জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি বাতিল করতে মায়ানমার সরকারকে অনুরোধ করবে ভারত৷ আগামী মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের নেপিদ (মায়ানমারের রাজধানী) সফর৷ সেই সফরেই এনএসসিএন(কে) সহ অন্যান্য নাগা জঙ্গিদের কোণঠাসা করতে উদ্যোগ নিয়েছে নয়াদিল্লি৷

যদিও মায়ানমারে নাগা জঙ্গিদের ঘাঁটিতে ২০১৫ সালের ১০ জুন কমান্ডো অভিযান চালায় ভারত৷ অভিযানে প্রায় ১৫৮ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছিল৷ মণিপুরের চান্দেল জেলায় ডোগরা রেজিমেন্টের ১৮ জওয়ানকে গুলি করে মারার এক সপ্তাহের মধ্যেই এমনই প্রত্যুত্তর ছিল ভারতের৷

শুধু এনএসসিএন(কে) নয়, আরও ২০টি ছোট বড় সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তালিকা মায়ানমার সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে ভারত৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তেই রয়েছে তাদের শিবির৷ যদিও মায়ানমার সরকার এই রিপোর্ট মানতে রাজি হয়নি৷

তবে হাল ছাড়তে রাজি নয় নয়াদিল্লি৷ কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই নেপিদ-কে বিষয়টি বোঝাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে৷ কারণ উত্তর পূর্বাঞ্চলের আরও এক জঙ্গি সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা)-র ঘাঁটি আছে মায়ানমারে৷ পরেশ বড়ুয়া নেতৃত্বাধীন আলফা চিনের মদতে অসমে ফের নাশকতা ছড়াতে মরিয়া৷

আরও পড়ুন: গুরুঙের জিএলপি ক্যাডারদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে নাগা জঙ্গিরা

গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, মায়নামার-ভারতের সীমান্ত এলাকায় বিশেষ শিবির স্থাপন করেছে এনএসসিএন(খাপলাং) গোষ্ঠী৷ গত ৬ জুন সংগঠনের প্রধান এসএস খাপলাংয়ের মৃত্যু হয়৷ তারপরেই চেয়ারম্যান হয় খাংঘো কন্যাক৷ এবার তার নেতৃত্বে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা নিয়েছে নাগা জঙ্গিরা৷