নয়াদিল্লি : কেন্দ্র লড়ছে। কিন্তু গত ছয় বছরে কেন্দ্র সরকারের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই করোনা ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করা। পঞ্চম দফা লকডাউন ঘোষণা হওয়ার দিন কয়েক আগে এমনই বক্তব্য দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের।

তাঁর মতে অত্যন্ত কঠিন ও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়ছে গোটা দেশ। কেন্দ্র এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মত নেতা পেয়েছে, তাই খুব সহজেই এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যাচ্ছে বলে মত রাজনাথের।

আজতক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক ই-সাক্ষাতকারে এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন মোদী ছিলেন, তাই ভারত আজ আরও কঠিন পরিস্থিতির হাত থেকে বেঁচে গেল। ভারত খুব ভাগ্যবান যে মোদী এখন প্রধানমন্ত্রী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা করে রাজনাথ বলেন সেই প্রেক্ষিতে ভারতের অবস্থা অনেকটাই ভালো বলা চলে। সঠিক সময়ে লকডাউনের সিদ্ধান্ত না নিলে আজ ভারতের কি হাল হত, তা ভাবাও যায় না। লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া সাহসী পদক্ষেপ মোদী সরকারের, এমনই মত রাজনাথের।

বিরোধীদের সমালোচনাকে দূরে সরিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানান, এই ধরণের সিদ্ধান্ত কেবল নরেন্দ্র মোদীই নিতে পারেন। এদিকে, সমীক্ষা বলছে এখনও ছড়াবে করোনা। জুনের ২০ তারিখে ছোঁবে সর্বোচ্চ সীমা। টাইমস নাওয়ের এক সমীক্ষা বলছে ২০শে জুন ২.৭১ লক্ষ হবে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এর আগের সমীক্ষায় প্রস্তাবিত সংখ্যা ছিল ২.০৯ লক্ষ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন গত এক সপ্তাহে গড়ে ৫-৬ হাজার নতুন ভাবে আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছে ভারত। ১৯শে মে সবথেকে কম আক্রান্ত ছিল, ৪৯৭০ জন সেদিন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিই আন্তর্জাতিক হটস্পট বানিয়ে তুলেছে ভারতকে। মে মাসের শেষে যদি লকডাউন পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়, তবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি করোনা আক্রান্তের হার আকাশ ছোঁবে।

এপ্রিল মাসের পর থেকে করোনা পরীক্ষা করার সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। এপ্রিলে যেখানে ৫৬০০টিরও কম পরীক্ষা হত, সেখানে মে মাসে পরীক্ষা হচ্ছে লক্ষাধিক। ফলে আক্রান্ত ধরাও পড়ছে বেশি মাত্রায়। ২১শে মে ২০ লক্ষ পরীক্ষা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ৯-১০ মে যেখানে পরীক্ষা হয়েছিল ১০ লক্ষ। দশদিনের মধ্যে সেই সংখ্যাটা দ্বিগুণ করা হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প