নয়াদিল্লি: ভারতকে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে হয় কর ফাঁকির জন্য। প্রতিবছর বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা এবং ব্যক্তিগত কর ফাঁকির অংকটা নেহাত কম নয়। প্রতি বছর এই ভাবে ৭৫,০০০ কোটি টাকা( ১০.৩ বিলিয়ান ডলার)কর ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে যা দেশের মোট জিডিপির ০.৪১ শতাংশ।

বিশ্বজুড়ে এই করফাঁকির অংকটা ৪২,৭০০ কোটি ডলার অর্থাৎ যা ভারতীয় টাকায় ৩১ লক্ষ কোটি টাকা। যেটা অন্য ভাবে দেখলে বিভিন্ন দেশের ৩.৪০ কোটি স্বাস্থ্যকর্মীর সারাবছরের বেতনের সমান। আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্যাক্স জাস্টিজ নেটওয়ার্ক , পাবলিক সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ট্যাক্স জাস্টিস মিলিতভাবে এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। ওই রিপোর্টে বিভিন্ন দেশের কর ফাঁকির ধরন এবং তা মোকাবেলা করতে বিভিন্ন সরকার কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকে সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ওই রিপোর্টে অনুসারে, ভারতের বহু ক্ষেত্রে সংস্থাগুলি প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আইনের ফাঁককে কাজে লাগিয়েছে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য। পুঁজি লেনদেন হয় মরিশাস সিঙ্গাপুর নেদারল্যান্ডের মত কয়টি দেশের মাধ্যমে। এই ভাবে ভারতের ক্ষতি হয় ৭০,০০০ কোটি টাকার বেশি। তাছাড়া ৫০০০ কোটি টাকা কম আয় হয়‌ ব্যক্তিগত কর ফাঁকির জন্য। এই গোটা অংক এই দেশের স্বাস্থ্য বাজেটের ৪৪.৭ এবং শিক্ষা খাতের ১০.৬৮ শতাংশের মতো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।