পুনে: অক্সফোর্ডের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালার। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী সব কিছু ঠিকঠাক চললে শীঘ্রই ভারতের বাজারে চলে আসবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনার ‘যম’। অক্সফোর্ডের তৈরি করোনার টিকা ভারতে তৈরি করছে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট।

পড়ুন আরও- অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক মাসের, শীঘ্রই ভারতের বাজারে অক্সফোর্ডের করোনা টিকা

দেশবাসীর জন্য আশার খবর শোনালেন সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা। মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, ২০২১ সাল পর্যন্ত করোনার ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

সবকিছু ঠিকঠাক চললে সম্ভবত আগামী ডিসেম্বর মাসেই ভারতের বাজারে চলে আসবে অক্সফোর্ডের তৈরি করোনা টিকা ‘কোভিশিল্ড’।

অক্সফোর্ডের টিকা ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে সফলতা পেয়েছে। পুনের সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিন-এর প্রায় ৪০ কোটি ডোজ তৈরি করে ফেলবে তাঁর সংস্থা। একইসঙ্গে ভারতীয় নাগরিকদের আশ্বস্ত করে তিনি জনিয়েছেন, তাঁর সংস্থার তৈরি টিকার ৫০ শতাংশ ভারতের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

অন্যদিকে, গবেষণা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তবে প্রথম সুখবরটা দিয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ মঙ্গলবারই ঘোষণা করা হয়েছে বিশ্বের প্রথম ভ্যাক্সিনের।

মঙ্গলবার, ১১ অগস্ট রেজিস্টার হল বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাক্সিন। কম সময়ে ভ্যাক্সিন তৈরির বিষয়টাকে উদ্বেগের চোখে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে প্রতীক্ষীত প্রতিষেধকের ঘোষণা রাশিয়ার।

এদিন সকালে ক্যাবিনেট সেশনের ব্রডকাস্টে একথা ঘোষণা করেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘আজ সকালে বিশ্বে প্রথমবার কোনও রোনা ভ্যাক্সিন রেজিস্টার হল। আমি জানি এতে ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তৈরি হবে।’

মঙ্গলবারই দেশে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা আগের কয়েকদিনের তুলনায় খানিকটা কমেছে। গত কয়েকদিন ধরেই একদিনের নিরিখে সংক্রমণ ৬০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়েছিল।

তবে মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে গত ২৪ ঘণ্টার নিরিখে করোনার মোট সংক্রমণ বেড়েছে আরও ৫৩ হাজারের বেশি। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬৭৫। দেশজুড়ে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৪৫ হাজার ২৫৭।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।