মুম্বই: ব্যর্থ সচিন-সেহওয়াগের ওপেনিং জুটি৷ ব্যাট হাতে ডাহা ফেল যুবরাজ সিং৷ ভারতীয় দলের প্রধান তিন ব্যাটসম্যানের সংগ্রহ সাকুল্যে ৪ রান৷ তা সত্ত্বেও রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজে শ্রীলঙ্কা লেজেন্ডসকে হারাতে অসুবিধা হল না ইন্ডিয়া লেজেন্ডসের৷ উত্তেজক ম্যাচে ৮ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় ভারতীয় কিংবদন্তিরা৷

আরও পড়ুন: Breaking: বাগানে বসন্ত, আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান

প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা লেজেন্ডস ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৮ রান তোলে৷ জবাবে ব্যাট করতে নেমে একসময় মাত্র ১৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ভারত৷ সেখান থেকে মহম্মদ কাইফ বিপর্যয় রোধ করেন৷ শেষবেলায় ইরফান পাঠান ঝড় তোলেন ক্রিজে৷ মূলত পাঠানের আগ্রাসী হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর করেই ভারত ১৮.৪ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৩৯ রান তুলে নেয়৷

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে মাস্ক পরলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটার

ভারতের হয়ে ওপেন করতে নেমে খাতা খুলতে পারেননি সচিন৷ বীরু ক্রিজ ছাড়েন ৩ রান করে৷ সাজঘরে ফেরার আগে যুবরাজের সংগ্রহ ১ রান৷ কাইফ ৪৫ বলে ৪৬ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংস খেলে ভারতকে কাঙ্খিত লক্ষ্যের কাছে নিয়ে যান৷ ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৩১ বলে অপরাজিত ৫৭ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন ইরফান৷ বাঙ্গার ১৮ রানের যোগদান রাখেন৷ ইুফানের সঙ্গে গোনি নট-আউট থাকেন ১১ রান করে৷ চামিণ্ডা ভাস ৩ ওভারে মাত্র ৫ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন৷

আরও পড়ুন: মোহনবাগানের ভারতসেরা হওয়ার সেলিব্রেশন

তার আগে শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রানের ইনিংস খেলেন চামারা কাপুগেদেরা ও ক্যাপ্টেন তিলকরত্নে দিলশান৷ রমেশ কালুবিতারানা করেন ২১ রান৷ এছাড়া থিলান তুষারা ১০, সচিত্র সেনানায়কে ১৯ ও ফারভেজ মাহারুফ ১০ রান করেন৷ আতাপাত্তু ১ ও উপুল চন্দনা ৩ রান করে আউট হন৷ অজন্থা মেন্ডিস ৯ ও রঙ্গনা হেরথ ৩ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ মুনাফ প্যাটেল ৪ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট দখল করেন৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন ইরফান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।