নয়াদিল্লি: দ্রুত ভ্যাক্সিন আনার জন্য তোড়জোড় চলচে বিশ্ব জুড়ে। ইঙ্গিত যা মিলছে তাতে, শীঘ্রই ভারতে ভ্যাক্সিন মিলতে পারে। অন্তত বয়স্ক বা ফ্রন্টলাইনে কাজ করা ব্যাক্তিদের ভ্যাক্সিন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মাস কয়েকের মধ্যেই। তাই ভ্যাক্সিন কিনতে কয়েক শ কোটি টাকা মজুত রেখেছে কেন্দ্র।

ভারত অত্যন্ত জনবহুল একটি দেশ। আর সেখানে ভ্যাক্সিনের জন্য অনেক বেশ টাকাও প্রয়োজন। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে।

সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ৫০,০০০ কোটি টাকা সরিয়ে রেখেছে। মোটামুটিভাবে যে হিসেব করা হয়েছে তাতে, প্রত্যেক শটের দাম ধরা হয়েছে ২ ডলার। এছাড়া স্টোরেজ সহ সব খরচ নিয়ে ৬-৭ ডলার প্রতি জন। আর ভারতের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৩০ কোটি।

কেন্দ্রের তরফে জানা গিয়েছে, ভ্যাক্সিনের জন্য টাকার নিয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার সব ব্যবস্থা থাকছে।

ধরা হচ্ছে, প্রত্যেকে দুটি শট ভ্যাক্সিন নেবে। এছাড়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও স্টোরেজের কিছু আলাদা খরচ রয়েছে।

আগামী বছরের শুরুতেই নোভেল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেশের বাজারে এসে যাবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনও। ইতিমধ্যেই আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ বিশ্বের প্রথম সারির একাধিক দেশ করোনার ভ্যাকসিন বানাচ্ছে। করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে ভারতেও। ভারত বায়োটেক, জাইডাস ক্যাডিলা-সহ বেশ কয়েকটি সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করছে।

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ভারতে তৈরি করছে পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট। এদিকে, দেশের করোনায় মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছেন ইউরোপ ও এশিয়ার বহু দেশে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি করোনাতে। সেই পরিস্থিতি এড়ানো গিয়েছে ভারতে।

আর তা হয়েছে শুধুমাত্র সঠিকভাবে লকডাউনের জন্য। মোদী বলেন ভারতে যে হারে মানুষ মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতা দেখিয়েছেন, তা আর কোনও দেশ দেখাতে পারেনি। কেন্দ্রের পরিকল্পনা সফল হয়েছে।

মোদী জানান, কেন্দ্রের আরও পরিকল্পনা রয়েছে। ধীরে ধীরে তা বাস্তবায়িত করা হবে। ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে গেলে তার সরবরাহ কীভাবে হবে, সেই রূপরেখা তৈরি করেছে কেন্দ্র। প্রত্যেক ভারতীয়ের ডিজিটাল হেলথ আইডি তৈরি করা হবে। যার মাধ্যমে ভ্যাকসিন পাবেন সবাই।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I