ব্রিসবেন: গাব্বায় মানেই ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের জু জু৷ বাউন্সি পিচে অজি পেসারদের সামনে বারবার আত্মসমর্পণ করেছেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা৷ তবে এর মধ্যেও এমএল জয়সীমা, সুনীল গাভাস্কর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও মুরলী বিজয়দের সেঞ্চুরি ভরসা দিতে পারে রাহানে-রোহিতদের৷ ব্রিসবেনে ৬টি টেস্টের মধ্যে একটিও জয় পায়নি ভারত৷ পাঁচটিতে হার এবং একটি ড্র হয়েছে৷ ক্যাপ্টেন সৌরভের সেঞ্চুরিতে ২০০৩ গাব্বায় টেস্ট ড্র করতে সমর্থ হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া৷

ব্রিসবেনে ভারতের রেকর্ড যতটা খারাপ, অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড ততটাই ভালো৷ ১৯৮৮ সালের পর গাব্বায়ে কোনও টেস্ট হারেনি অস্ট্রেলিয়া৷ এবারও ভারতের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেই শুরু করবেন অজিরা৷ সিরিজ ১-১ অবস্থায় শুক্রবার ব্রিসবেনে সিরিজের শেষ টেস্টে নামছে অজিঙ্ক রাহানের ভারত ও টিম পেইনের অস্ট্রেলিয়া৷ ১৯৪৭ থেকে এখনও পর্যন্ত একবারই গাব্বায় টেস্ট ড্র করতে সক্ষম হয়েছে ভারত৷

১৯৪৭ (২৮ নভেম্বর-৪ ডিসেম্বর): অস্ট্রেলিয়া জেতে ইনিংস ও ২২৬ রানে

ভারত প্রথমবার ব্রিসবেনে টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল ১৯৪৭ সালে ২৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর৷ অস্ট্রেলিয়ার কাছে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত৷ স্যর ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের ১৮৫ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া তুলেছিল ৮ উইকেটে ৩৮২ রান৷ জবাবে ভারত একবারও একশো রানের গণ্ডি টপকাতে পারেনি৷ প্রথম ইনিংসে ৫৮ এবং দ্বিতীয় ৯৮ রানে অল-আউট হয়ে গিয়েছিল ভারত৷

১৯৬৮ (১৯-২৪ জানুয়ারি): অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ৩৯ রানে

বিল লরির অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল মনসুর আলি খান পতৌদির ভারত৷ ডাগ ওয়াল্টারের ৯৩ এবং লরির ৬৪ রানের ফলে প্রথম ইনিংসে ৩৭৯ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া৷ জাবাবে পতৌদি ও জয়সীমা দু’জনেই ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন৷ ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ২৭৯ রানে৷ দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৯৪ রানে অল-আউট হওয়ায় ভারতের সামনে টার্গেট ছিল ৩৯৫ রানের৷ কিন্তু জয়সীমার দুরন্ত সেঞ্চুরিতে (১০১) শেষরক্ষা হয়নি ভারতের৷ ৩৫৫ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস৷

১৯৭৭ (২-৬ ডিসেম্বর): ১৬ রানে জেতে অস্ট্রেলিয়া

ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে মাত্র ১৬৬ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ কিন্তু জবাবে মাত্র ১৫৩ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস৷ দ্বিতীয় ইনিংসে ববি সিম্পসনের ৮৯ রানের দৌলতে ৩২৭ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া৷ কিন্তু ৩৪১ রান করতে নেমে মাত্র ১৬ রানের জন্য ম্যাচ হারে ভারত৷ ১১৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন গাভাস্কর৷ তবে ভারতীয় বোলাররা দারুণ বোলিং করেছিলেন৷ বিষেণ সিং বেদী প্রথম ইনিংসে পাঁচটি এবং মদনলাল দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন৷

১৯৯১ (২৯ নভেম্বর – ২ডিসেম্বর): ১০ উইকেট ম্যাচ জিত নেয় অস্ট্রেলিয়া

ক্রেগ ম্যাকডারমটের দুরন্ত বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ২৩৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ভারতের প্রথম ইনিংস৷ জবাবে অস্ট্রেলিয়া তুলেছিল ৩৪০ রান৷ দ্বিততীয় ইনিংসে ভারত মাত্র ১৫৬ রানে অল-আউট হয়ে যায়৷ কোনও উইকেট না-হারিয়ে ৫৮ রান তুলে ১০ উইকেট ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রলিয়া৷

২০০৩ (৪-৮ ডিসেম্বর): টেস্ট ড্র হয়

বৃষ্টিবিঘ্নত গাব্বায় প্রথমবার টেস্ট করতে সমর্থ হয় ভারত৷ অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৩২৩ রানের জবাবে সৌরভের দুরন্ত ১৪৪ রানের ইনিংসে ভর করে ৪০৯ রান তুলেছিল ভারত৷ দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে ২৮৪ রান তুলে ছেড়ে দেয়৷ ১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে শেষ দিন ভারত ২ উইকেটে ৭৩ রান তোলার পর ম্যাচ ড্র হয়ে যায়৷

২০১৪ (ডিসেম্বর ১৭-২০): অস্ট্রেলিয়া জেতে চার উইকেটে

মুরলী বিজয়ের ১৪৪ এবং অজিঙ্ক রাহানের ৮১ রানের দৌলতে প্রথম ইনিংসে ৪০৮ রান তুলেছিল ভারত৷ কিন্তু স্টিভ স্মিথের ১৩৩ রান এবং মিচেল জনসন ও মিচেল স্টার্কের হাফ-সেঞ্চুরির ফলে ৫০৫ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া৷ দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২২৪ রান গুটিয়ে যায়৷ ফলে ১২৮ রান করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।