ব্রিসবেন: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্টে ১১ জন ফিট ক্রিকেটারকে মাঠে নামানোয় এখন চ্যালেঞ্জ টিম ইন্ডিয়ার৷ কারণ প্রতিটি টেস্টের পরই চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছেন একের পর এক খেলোয়াড়৷ তবুও ব্রিসবেনে ভারত ফিট একাদশ খেলাবে বলে জানান রবিচন্দ্রন অশ্বিন৷ শুক্রবার থেকে গাব্বায় শুরু হচ্ছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের চতুর্থ তথা শেষ টেস্ট৷

চোট-আঘাতে জর্জরিত ভারতীয় দল বুধবার গাব্বায় ট্রেনিং শুরু করে৷ তবে প্র্যাকটিস শুরুর আগে টিম হার্ডেল করে ভাষণ দেন ‘হেডস্যর’ রবি শাস্ত্রী৷ যেখানে দেখা গিয়েছে ট্রেনিং শুরু করার আগে নিজেদের মধ্যে এক প্রস্থ আলোচনা সেরে নিয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার কোচিং স্টাফেরা৷ প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী’র সঙ্গে ছিলেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর, বোলিং কোচ ভরত অরুণ এবং ফিল্ডি কোচ আর শ্রীধর৷

গাব্বায় ভারতীয় দলের কম্বিনেশন প্রশ্নের উত্তরে অফ-স্পিনার অশ্বিন বলেন, ‘আমার মনে হয় ড্রেসিংরুমে অজিঙ্ক জিজ্ঞেস করবে, আমাদের মধ্যে ১১ জন ফিট কারা রয়েছে৷ যারা মাঠে নামতে তৈরি৷ আমরা একের পর এক খেলোয়াড়কে হারাচ্ছি৷ এর আগে কোনও সফরে এমনটা দেখিনি৷ কোভিড সময়ে আমাদের শরীর বিশ্রামে থাকায় এমনটা হচ্ছে৷’

সিডনি টেস্টের পঞ্চম দিন ভারতীয় ড্রেসিংরুম ছিল হাসপাতালের ওয়ার্ড৷ রবীন্দ্র জাদেজা ব্যাটিং করার সময় বাঁ-হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পেয়েছেন৷ আঙুলে ব্যান্ডেজ নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছে৷ তাঁর পাশে বসেছিলেন পিঠের ব্যাথ্যায় কাহিল অশ্বিন৷ হনুমা বিহারী হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে এসসিজি-র ড্রেসিংরুম থেকে বের হতে পারছেন না৷ ঋষভ পন্ত কনুইয়ে চোট নিয়ে ব্যাটিং করছে৷ এই অবস্থাতেও সিডনি টেস্ট ড্র করেছে ভারত৷

ঘণ্টা তিনেক ব্যাটিং করে ম্যাচ ড্র করেন হনুমা বিহারী ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন৷ সিডনি টেস্টের পর ব্রিসবেন টেস্টের দল থেকে ছিটকে যান রবীন্দ্র জাদেজা ও হনুমা বিহারী৷ বাঁ-হাতের বুড়ো আঙুলের হাড় সরে যাওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে হয় রবীন্দ্র জাদেজার৷ কয়েকদিন পরেই দেশে ফিরছেন তিনি৷ এখানেই শেষ নয়, পেটের ব্যাথ্যার কারণে গাব্বায় না-খেলার সম্ভাবনা বেশি জসপ্রীত বুমরাহের৷ ইংল্যান্ড সিরিজের কথা ভেবে ডানহাতি পেসারকে ব্রিসবেনে না-খেলানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।