নয়াদিল্লি : ভারতে সদ্য নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার স্যার ফিলিপ বার্টনের মুখে ভারতের প্রশংসা। করোনা মোকাবিলায় যেভাবে ভারত এগিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। বৃহস্পতিবার বার্টন বলেন করোনা ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। যে কোনও মুহুর্তে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার। ভারতও এটি তৈরি করে ফেলতে পারে বলে জানান তিনি।

এদিন বার্টন বলেন গোটা বিশ্বে ১৫ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। ভ্যাকসিন তৈরির দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। সেই প্রেক্ষিতে ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারতের সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল বলেই মনে করছেন তিনি। যে ভ্যাকসিন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করছে, সেটিও প্রতিযোগিতায় সুনাম অর্জন করেছে। তবে কিছু সময়ের অপেক্ষা করতেই হবে।

অক্সফোর্ডে তৈরি হতে চলা ভ্যাকসিনের উৎপাদনে ভারতীয় বংশোদ্ভুতদের ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন তিনি। এঁরাই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ও স্বাস্থ্য পরিষেবায় আসল হিরো বলে জানান বার্টন।

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্ব একযোগে লড়ছে বলে মন্তব্য করে বার্টন বলেন করোনা যেমন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে, তেমনই বিশ্বের প্রতিটি দেশ লড়াই করে জিততে চাইছে। জয় একদিন মানব সভ্যতারই হবে। এদিন ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করে বার্টন বলেন, গত ২৫ বছরে নিজেকে আমূল বদলে ফেলেছে ভারত। এখন ভারত মানেই একটি আধুনিক, প্রগতিশীল ও ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে চাওয়া এক দেশ।

এদিকে, রাজধানী দিল্লিতে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত, যদিও অধিকাংশেরই কোনও উপসর্গ নেই, এমনই দাবি বিশেষজ্ঞদের। করোনা মোকাবিলায় এবার আরও বেশি তৎপরতা নিচ্ছে দিল্লির সরকার। এবার থেকে প্রতি মাসে করোনার সংক্রমণ কীভাবে ছড়াচ্ছে তা সমীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার।

করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর গতিপ্রকৃতি বুঝতে কয়েকজনের রক্তের সেরাম নিয়েও পরীক্ষা করা হবে দিল্লিতে। অতিমারীর মোকাবিলায় এমনই কিছু পদক্ষেপ করছে দিল্লির সরকার। সেরো সার্ভে করে করোনা পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা হবে। আগামী ১ থেকে ৫ অগাস্টের মধ্যে রাজধানীতে এই ধরনের সমীক্ষা হবে।

দিল্লিতে বেড়ে চলা করোনার সংক্রমণে কিছুটা হলেও লাগাম টানা সম্ভব হয়েছে। দিল্লিতে সংক্রমণের হার কমেছে। আগে প্রতিদিন ২ হাজারের বেশি মানুষ সংক্রমিত হচ্ছিলেন। এখন সেই সংখ্যাটা কমেছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও