নয়াদিল্লি: সমগ্র দেশ আজ ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করছে। এই উপলক্ষে দিল্লির রাজপথে প্যারেড অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারত বিশ্বের সামনে নিজের শক্তি প্রদর্শন করছে, অন্যদিকে বিভিন্ন অংশের সংস্কৃতির এক ঝলকও প্রদর্শিত হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য সেলিব্রিটিরা এই জাতীয় উত্সবের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী

প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে পৌঁছে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবার প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আগে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপরেই রাজপথে পৌঁছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তেরঙ্গা উত্তোলিত করেন।

আরও পড়ুন – হিমায়িত জলাশয়ের উপর প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ ITBP জওয়ানদের

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছে

প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজপথে প্যারেড শুরু হয় ঠিক ১০ টা নাগাদ। প্রথমে হেলিকপ্টার দিয়ে ফুল বর্ষণ করা হয়। প্রথমবার বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ১২২ জন সেনার একটি দল রাজপথে মার্চ করে। স্কোয়াডের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু মোহাম্মদ শাহনূর শাভন। এই স্কোয়াডে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা হাজির ছিলেন।

রাজপথে দেখা গেছে ভীস্ম ট্যাঙ্ক ও ব্রহ্মস

টি -৯০ (ভীষ্ম) ট্যাঙ্ক রাজপথে নেমেছে। বিশ্বের শক্তিশালী যুদ্ধ ট্যাঙ্ক টি -৯০ এই প্যারেডের গর্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই অত্যাধুনিক ট্যাঙ্কটিতে একটি ১২৫ মিলিমিটার গান রয়েছে। যা বিভিন্ন ধরণের শেল হামলা করতে পারে।

আরও পড়ুন – Republic Day Parade: শক্তিশালী ট্যাঙ্ক, মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র-এ রাজপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ

রাজপথে সেনাদের শক্তি প্রদর্শন

রাজপথে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে নৌবাহিনী ও স্থল বিমান বাহিনীর সদস্যরাও। আধাসামরিক ও অন্যান্য সহায়ক বাহিনীও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ভারতীয় উপকূলরক্ষী, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী, দিল্লি পুলিশ ব্যান্ড, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ ব্যান্ড, জাতীয় সুরক্ষা গার্ডও তাঁদের শৌর্য প্রদর্শন করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।