নয়াদিল্লি: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সার্বিক উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে চলেছে ভারত-ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া।রাইসিনা ডায়লোগির তরফে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিন দেশের বিদেশমন্ত্রী থাকবেন। রুয়ান্ডা ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রপ্রধানরা ছাড়াও আরও দশ দেশের বিদেশ মন্ত্রী অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী মেরিস পায়েন এবং ফরাসী বিদেশমন্ত্রী জিন-ইয়ভেস লে দারিয়ান ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। তারা COVID-19 মহামারীর বিরূপ প্রভাব এবং কীভাবে এটি মোকাবিলা করা হবে সে সম্পর্কেও আলোচনা করতে পারেন।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়া কোয়াডের একটি অংশ, যার লক্ষ্য হল একটি মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করা।অন্যান্য সদস্যরা হলেন জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী দারিয়ান দু’দিনের সফরে ১২ এপ্রিল নয়াদিল্লি এসেছেন। বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ছাড়াও তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদি-সহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। চীনের আগ্রাসী মনোভাবকে জন্যে যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যে চ্যালেঞ্জের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা মোকাবিলা করার ব্যাপারে সহমত ভারত-ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া।

প্রাক্তন বিদেশ সচিব সম্প্রতি বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত ২০২০ সালের মে মাসে লাদাখে পিপলস লিবারেশন আর্মির একতরফা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জবাব দিয়েছিল। মোদির এই সিদ্ধান্তকে স্বীকৃতি দিয়েছিল কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোও। যা ভারতের শক্তি বাড়িয়েছিল।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পূর্ব লাদাখ, ক্যালেডোনিয়া এবং দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলগুলোতে চিনের আগ্রাসন মনোভাবে কারণে তিন গণতান্ত্রিক দেশের প্রতিনিধি হিসাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর, দারিয়ান এবং পায়েনের একে অপরের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেড়েছে। যারফলে তিন দেশের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে চিনকে নজরে রেখে কোয়াডের বৈঠকে মোট পাঁচটি বিষয়ের উপর সহমত হয় ভারত-আমেরিকা। কূটনৈতিক মহলের দাবি, এই পাঁচ বিষয়ের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০২২ সালের মধ্যে করোনাকে শেষ করা। রাষ্ট্রপ্রধানরা মনে করছেন,করোনা ভাইরাস মহামারীর ফলে পৃথিবীর বুকে যে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে আগামিদিনের ‘পথকে আলোকিত করতে আশার কিরণ’ দেখাবে চার দেশের সম্পর্ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.